শরীরের ওজন কমাতে চান তবে বাসি রুটি খান

55

খাবারগ্রহণে অনেকে সাবধানতা অবলম্বন করে থাকেন। বিশেষ করে যারা ডায়েট করেন তারা। চিকিৎসকদের পরামর্শে অনেকে শরীরে ওজন ধরে রাখতে ভাতের পরিবর্তনে রুটি খান। রুটি যে কতটা উপকারি ও গুনাগুণ রয়েছে অাপনি নিজেও জানেন না। আর সেটি যদি হয় বাসি রুটি তবে কেমন হয়। বাসি রুটিতেও অনেক পুষ্টিমাণ রয়েছে তা মুখে মুখে শোনা যায়। আসলেই কি বাসির রুটিতে শারীরিক গুণাগুন বা উপকারিতা রয়েছে। হ্যা সত্যি। বাসি রুটি খেলে কি হয় তা জানা যাক।

ওজন হ্রাসে

তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে চাইলে বাসি রুটি খান। বাসি রুটিতে থাকে ফাইবার। এ উপাদান শরীরে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। বাসি রুটি খেলে খিদা হ্রাস পায়। এমনকি শরীরে পুষ্টির অভাব দূর করে। অার বাসি রুটির সঙ্গে যদি দুধ থাকে তাহলে তো কথাই নেই। অনেকটা সোনায় সোহাগার মত।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রে বেশ কার্যকরি ভূমিকা রাখে বাসি রুটি। বাড়ির মুরব্বিরা ঠাণ্ডা দুধ দিয়ে বাসি রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসতে সাহায্য করে বলে জানান।  দেহ শীতল রাখতেও দুধ ও বাসি রুটির জুড়ি মেলা ভাড়।

শক্তির ঘাটতি দূরীকরণে 
কাজের চাপে পড়ে অনেক সময় আমরা সকালের নাস্তা গ্রহণ করতে ভুলে যাই। অনেকে তাড়াতাড়ি খালি পেটেই কর্মস্থলে বেড়িয়ে পরেন।  এই সময় অনেকে আগের দিনের রুটি আর এক গ্লাস দুধ খেয়ে বাসা থেকে বের  হতে পারেন। তাতে একই সঙ্গে পেটও ভরা থাকবে আর দেহে শক্তির অভাব দূর হবে।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে 
বাসি রুটির মধ্যে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি সহায়ক হিসেবে কাজ করে। একই সাথে গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও হ্রাস পায়। তাই এখন থেকে বাসি রুটি ডাস্টবিনে ছুঁড়ার পূর্বে বিবেচনায় আনতে পারবেন রুটি ফেলে দেবেন না রেখে দেবেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহায়ক
বর্তমানে ডায়াবেটিস সারা বিশ্বের মানুষকে কাবু করে ফেলেছে। এবার এই কাবু থেকে সুরক্ষা করতে সহায়তা করবে বাসি রুটি। বয়স্ক মানুষের মত রক্তে গ্লকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাসি রুটির বিকল্প হয় না। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক ও ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মোতাবেক খাবার গ্রহণ করতে হবে।