রাজনৈতিক রোষানলে প্রেমের স্মৃতিস্তম্ভ তাজমহল

20

নটরাজ রবিউল:

পৃথিবীর সপ্তম আশ্চার্য ও প্রেমের সমাধিসৌধ আগ্রার তাজমহল রাজনৈতিক রোষানলে পড়েছে। তাজমহল ভেঙে শিব মন্দির নির্মাণ করতে চান ভারতের উত্তর প্রদেশের ক্ষমতাসীন কট্টরবাদী হিন্দু নেতারা। একের পর এক তাজমহলকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন স্থানীয় ক্ষমতাসীনরা।

ভারতের উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদী দল শিব সেনা তাজমহল ধ্বংস করে এর উপর শিব মন্দির নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৩ বছর পূর্তির দিনে বিতর্কিত এই মন্তব্য করেন তারা। তাজমহল নির্মাণে সম্রাট শাহজাহানের বিপুল অর্থ ব্যয়কে ‘অযৌক্তিক’ ও ভারতের ইতিহাসের ‘কলঙ্ক’ অধ্যায় বলে তাজমহলকে অভিহিত করেছে শিব সেনা।

বিজেপির বিতর্কিত নেতা ও এমপি সঙ্গীত সোম তাজমহলকে ‘ভারতীয় সংস্কৃতির কলঙ্ক’ বলে উল্লেখ করেছেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতা সঙ্গীত সোম ‘বিশ্বাস ঘাতকরা’ এই তাজমহল তৈরি করেছেন বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। মীরাট শহরে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে সম্প্রতি এমন বিরুপ  মন্তব্য করেন সোম। উত্তর প্রদেশের পর্যটন সংক্রান্ত পুস্তিকা থেকে তাজমহলের নাম বাদ দেওয়ার পর বিশ্বখ্যাত এই সমাধিসৌধটি সম্পর্কে এই মন্তব্য করেন বিজেপির স্থানীয় এই এমপি।

সার্বিক বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে যখন তাজমহল ভারতীয় ইতিহাসের ‘কালো অধ্যায়’ বলে অাখ্যা দেন সঙ্গীত সোম। এছাড়া বিজেপি সংসদ সদস্য বিনয় কাটিয়ার দাবি করেন, তাজমহল আসলে শিবের মন্দির। তাজমহল থেকে আগ্রা পর্যন্ত রাস্তার শিলান্যাস করারও ঘোষণা দেন তারা। আর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ইচ্ছায় পর্যটন তালিকায় থেকে বাদ দেওয়া হয় তাজমহলের নাম।

হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও গত জুন মাসে বলেছিলেন, তাজমহল ভারতীয় সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে না। তাজমহলের ইতিহাস ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেন যোগী। এটি হিন্দুদের গৌরবের বিষয় নয়।

প্রেমের স্মৃতিস্তম্ভ তাজমহল সম্পর্কে সোমের এমন বেফাঁস মন্তব্যে সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। টুইটারে ‘তাজমহল’ শব্দটি ট্রেন্ডিং করছিল কয়েক সপ্তায়জুড়ে। বিজেপির এমপি সোম তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, উত্তর প্রদেশের পর্যটন বুকলেটে ঐতিহাসিক স্থানের তালিকা থেকে তাজমহলের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনায় অনেকে দুঃখ পেয়েছেন।

সোম আরো বলেন, তাজমহলকে পর্যটনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এতো দুঃখ পাওয়ার কিছুই নেই। যে ব্যক্তি তাজমহল বানিয়েছেন সেই সম্রাট শাজাহান নিজেই তার পিতা আকবরকে অন্তরীণ করে রেখেছিলেন। এটা কে কি আপনারা ইতিহাস বলবেন? যে ব্যক্তি তাজমহল বানিয়েছে সে উত্তর প্রদেশ ও হিন্দুস্তানের বহু হিন্দুকে আক্রমণ করেছিল। এটাকে কি আপনারা ইতিহাস বলবেন? সমর্থকদের কাছে প্রশ্ন রাখেন সোম।

সোম আরো বলেন, এটা যদি ইতিহাস হয়, তাহলে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এই ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করবো। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি যোগ করেন সোম। শাহজাহানের সন্তান আওরঙ্গজেবও তাকে আমৃত্যু কারারুদ্ধ করে রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করে এর আগেও সোম আলোচিত হয়েছেন।

২০১৩ সালে সঙ্গীত সোমের বিরুদ্ধে মুজাফ্ফরনগরে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই দাঙ্গায় ৬২ জন নিহত হয়। তাজমহল নিয়ে সোমের বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের রাজনীতিবিদসহ নানান শ্রেণী পেশার লোকেরা।

বিজেপির একজন মুখপাত্র নলিন কলি বলেছেন সোমের এই বক্তব্যের সাথে বিজেপির দলীয় অবস্থানের কোন সম্পর্ক নেই। তবে  সোমের এ ধরনের বিতর্কিত মন্তব্যের নিন্দা করেন নি নলিন। এটা সোমের ব্যক্তিগত মতামত বলে তিনি মনে করেন। তাজমহল ভারতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইতিহাসে যা ঘটেছে সেটা তো মুছে ফেলা যাবে না। তবে এই ইতিহাস সুলিখিত হতে হবেও মন্তব্য করেন নলিন।

এদিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতা ও ভারতের কেন্দ্রীয় আইনজীবী আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি তাজমহল ও মোগল সম্রাট শাজাহানকে নিয়ে সঙ্গীত সোম যে মন্তব্য করেছেন তার তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে সোমের বক্তব্যের বিরোধী অবস্থান নেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাজমহল যদি মুসলিমদের বানানোর জন্য অপরাধ হয়ে থাকে তবে ভারতে তৈরি অন্য পর্যটক স্থানেও বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।

সমালোচনা করে ওয়াইসি আরো বলেন, প্রতি বছর ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নয়া দিল্লির রেড ফোর্ট থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এটি ভারতের দীর্ঘ দিনের রীতি। সেই রীতি  পরিবর্তন করা হোক। কারণ সেটিও স্থাপন করেছেন শাজাহান। এ বছর নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা দিবসে রেড ফোর্ট থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন যা মুসলিম শাসক সম্রাট শাজাহান নির্মাণ করেছেন। ১৬৩৯ সালে শাজাহান এই স্থাপনাটির নির্মাণ করেছেন। যদি এই স্থাপনাটি ভারতের ইতিহাস থেকে থাকে তবে তাজমহল নিয়ে কেন এতো ক্ষোভ।

উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতারা তাজমহল নিয়ে যে সমালোচনা করছেন তার নিন্দা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। গত মাসে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন যদি তাজমহল মুসলিমদের তৈরি হওয়ায় তা ভেঙ্গে ফেলা হয় তবে ভারতে তৈরি ব্রিটিশদের নির্মিত সকল স্থাপনাও ভেঙ্গে ফেলা হোক।  তাজমহল নিন্দাকারীদের সোজা এমন পরামর্শ মমতার। তাজমহল ভারতের গৌরব বলে মনে করেন মমতা।

এছাড়া সোমের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নারী সাংবাদিক বুরকা দত্ত। এক টুইট বার্তায় বুরকা দত্ত সোমের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সঙ্গীত সোম তাজসহল নিয়ে যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তা নির্বোধের মতো মন্তব্য। তিনি তাজমহল সম্পর্কে সঠিক মন্তব্য করতে পারেননি।

সাংবাদিক ভিক্রম চন্দ্র লিখেছেন, কেউ যদি তাজমহলকে ‘ভারতীয় সংস্কৃতির কলঙ্ক’ বলে উল্লেখ করেন, তাহলে বলতে হবে তিনি ইতিহাস জানেন না। আবার অনেকে সোমের বক্তব্য সমর্থন করেও মন্তব্য করেছেন। ভারতের অনেক হিন্দুর কাছেই তাজমহল একটি বিতর্কিত বিষয়।

বিশ্বের সপ্তম আশ্চার্যের একটি হচ্ছে ভারতের তাজমহল। আগ্রার এই ঐতিহাসিক সৌধটিকে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক বলে মনে করা হয়। তবে আগ্রার তাজমহলকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ খোদ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ভারত সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের তাজমহলের রেপ্লিকা দেওয়ারও বিরোধিতা করেছেন তিনি। কারণ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, তাজমহল ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক নয়। আর এবার যোগী জমানায় উত্তরপ্রদেশের দ্রষ্টব্য স্থানের তালিকা থেকেও বাদ পড়ল তাজমহল!

তাজমহল শুধু একটি সৌধ নয়, একটুকরো ইতিহাসও বটে

স্ত্রী মমতাজ মহলের মৃত্যুর পর, তার স্মৃতিতে আগ্রায় যমুনার তীরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেছিলেন মোঘল সম্রাট শাজাহান। সেই স্মৃতিসৌধটি তাজমহল নামে পরিচিত। কালে কালে তাজমহল হয়ে উঠেছে চিরন্তন প্রেমের প্রতীক। ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মোঘল আমলের এই স্থাপত্যটিকে বিশ্বের সপ্তম আশ্চার্যের তালিকায় স্থান দিয়েছে  জাতিসংঘের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্থা ইউনেস্কো।

শুধুমাত্র তাজমহল দেখার জন্য, প্রতি বছর আগ্রায় ভিড় করেন ভিন দেশি পর্যটকরা। এমনকি, ভারত সফরে এসে তাজমহল দর্শনে যান বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিভিন্ন হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিরাও। তবে সেই তাজমহলকেই রাজ্যের দ্রষ্টব্যস্থানের সরকারি তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার!

প্রতি বছর সারা বিশ্বের প্রায় ৩০ লাখ মানুষ এখানে আসে সমাধিসৌধ দেখার জন্য। ভারতের পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ এটি। পর্যটন ব্যবসার সম্প্রচার ও প্রসারণ ঘটেছে এই তাজমহলদের জন্য। প্রায় ২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এই তাজমহলকে ঘিরে। তাজমহলের কারণেই আগ্রার অর্থনীতি প্রায় সারা বছরই চাঙ্গা থাকে। যা অন্য রাজ্যের তুলনায় খুবই ইতিবাচক।

শুধু উত্তরপ্রদেশের নেতারা নয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক মন্ত্রী ভারতের ইতিহাস পাঠ্য বইয়ে নতুন করে লেখার আহবান জানিয়েছেন। বিশেষ করে ভারতে মুসলিমদের ইতিহাস নতুন করে যুক্ত করতে। মধ্যযুগীয় মুসলিম শাসকদের শাসন উদ্বেগজনক বলেও বর্তমান ক্ষমতাসীর কোনো কোনো নেতা মনে করছেন।

প্রিয় স্ত্রী মমতাজ মহলের কবরের পাশেই মৃত্যুর পর পরিকল্পনা মোতাবেক মোগল সম্রাট শাজাহানকেও শায়িত করা হয়। এই কমপ্লেক্সেও ভেতরেই তাদের কবর ছাড়াও রয়েছে একটি মসজিদ। মোগল রাজপরিবারের আরো বেশ কিছু কবর রয়েছে তাজমহল কমপ্লেক্সে। এখানে প্রতি ‍শুক্রবার নামাজ পড়তে জড়ো হয় বিপুল মানুষ।

তাজমহলের নাম বাদ দিয়ে সব দ্রষ্টব্য স্থানের নাম ও ছবিসহ একটি বুকলেট প্রকাশ করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তবে কেন বাদ পড়ল তাজমহল? তা নিয়ে অবশ্য উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শুধু ভারতেই নয়, সারা বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে তাজমহলের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে ভারতের যে রাজ্যে এই সৌধটি রয়েছে, সেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কোনোদিনই তাজমহলকে গুরুত্ব দেননি। মানে গুরুত্ব দিতে চাননি। উত্তরপ্রদেশে যোগী জমানায় প্রথম বাজেট বক্তৃতায় কালচারাল হেরিটেজ বিভাগে স্থান পায়নি তাজমহল। এমনকি, ভারতে সফরে আসা ভিনদেশী রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার হিসেবে তাজমহলের রেপ্লিকার পরিবর্তে গীতা বা রামায়ণ দেওয়ার পক্ষে বলেছেন যোগী আদিত্যনাথ।

শুধু বুকলেট থেকে তাজমহলের নাম বাদ দিয়ে ক্ষান্ত হননি কট্টর হিন্দুবাদী নেতারা। তাজমহল চত্বরে নামাজ বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা। ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতি সংঘের শাখা সংগঠন অখিল  তাজমহলে নামাজ পড়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি না-হলে তাজমহলে শিবের পূজা করার দাবি জানিয়েছে।

এছাড়া  ভারতীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সহযোগী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এর নেতা ড. বালমুকুন্দ পাণ্ডে গত সপ্তায় বলেন, তাজমহল আমাদের জাতীয় সম্পদ। তা হলে কেন ধর্মীয় কারণে তাজমহল ব্যবহার হবে? এখনে নামাজ পড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

তাজমহলের গা ঘেঁষেই রয়েছে মসজিদ। তাই জুম্মার নামাজ পড়তে প্রতি শুক্রবার তাজমহল চত্বরে জমা হন বিপুল মানুষ। সে দিন পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হয় তাজমহল।

তাজমহল প্রাঙ্গণে অখিল নামাজের সাথে শিব পূজার  যে দাবি জানিয়েছে সে প্রসঙ্গে মসজিদের ইমাম বলেন, ‘সমাধির উপর শিবস্তোত্র পাঠ করা যায় না। বরং কথা বলে একটা সমাধানের পথ খোঁজার প্রতি মত দিয়েছেন ইমাম।

কয়েক দিন আগে, তাজমহল চত্বরে জোর করে ঢুকে শিবস্তোত্র পাঠ করেছিল যোগী আদিত্যনাথের হাতে তৈরি, হিন্দু যুবা বাহিনী’র সদস্যরা। বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার তাদের সমর্থনে বলেছিলেন, ‘আজ যেখানে তাজ, সেখানে আসলে শিবমন্দির ছিল। ফলে এর নাম বদলে তাজ মন্দির করে দেওয়া হোক।

তবে দেশের পর্যটন মানচিত্রের অন্যতম আকর্ষণ তাজমহল নিয়ে বিতর্ক মোটেই পছন্দ করছে না মোদি  সরকার। কেন্দ্রের ইঙ্গিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে গত সপ্তায়ই তাজমহল ঘুরে গেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। যোগীর সফরের পরের দিনই তাজমহলে নামাজ-নিষেধাজ্ঞার দাবি নতুন করে বিতর্ক উস্কে দেয়া হল বলেই মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি, এএফপি ও এনডিটিভি