প্রযুক্তি কল্যাণের পাশাপাশি অপব্যবহারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে

5

সাইদুর রহমান আবির:

আত্মহত্যায় প্ররোচণা দানকারী অনলাইন ভিত্তিক গেম ‘ব্লু হোয়েল’র লিংক ৬ মাসের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। নির্দেশনার কপি হাতে পেলেই, ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে বিটিআরসি। তবে প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এই ধরণের লিংক বন্ধে প্রযুক্তি বিষয়ক সক্ষমতা নেই বিটিআরসি’র। তাই অভিভাবকদের সচেতনতাই হতে পারে প্রতিরোধের অন্যতম উপায়, মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মেয়ে হারানো বাবার আর্তনাদ; অনলাইন ভিত্তিক সুইসাইডাল গেম ’ব্লু হোয়েলের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন একমাত্র কন্যা স্বর্ণা। প্রযুক্তির কল্যাণের পাশাপাশি এর অপব্যবহার ভয়াবহ রূপ নিয়ে এখন তরুন প্রজন্মের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক দিন সারা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টিকারি একটি নাম ‘ ব্লুু হোয়েল’ গেম।

গেমটির বিভিন্ন ধাপে রয়েছে অবচেতন মনে দ্বন্দ সৃষ্টিকারি প্রতিযোগিতা। আর দূর্বল ও অবসাদগ্রস্থরাই গেমটির এডমিনের মূল টার্গেট। অনেক ক্ষেত্রেই গেমের নির্দেশনা থাকে প্রাণঘাতি। মরণঘাতি এই গেমটির কয়েকটি ধাপ খেলে ফিরে এসেছেন, এমন এক তরুনের কাছ থেকে শোনা যাক অভিজ্ঞতার কথা।

২০১৩ সালে রাশিয়ায় তৈরি এই গেমটি খেলে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে ২ শতাধিক তরুন-তরুনীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। একটি রিটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে গেমটির লিংক বন্ধের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

যদিও এই ধরণের লিংক বন্ধে বিটিআরসি’র প্রযুক্তি বিষয়ক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রযুক্তিবিদরা। তবে আদালতের নির্দেশনার কপি হাতে পাওয়ার পরে, ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় বিটিআরসি। শুধু প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করলেই চলবে না, সন্তানদের সাথে দিতে হবে পর্যাপ্ত সময়, আর ইন্টারনেট ব্যবহারে অভিভাবকদের আরো সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

বিস্তারিত দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন: