দ্রুত চিকিৎসা সেবা বাঁচাতে পারে অমূল্য প্রাণ

44

প্যাট্রিক ডি’কস্তা:

দ্রুত চিকিৎসা সেবা বাঁচাতে পারে একটি অমূল্য প্রাণ। তবে নির্দিষ্ট কিছু কারণে আহত বা অসুস্থ হলে সচরাচর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না। রোগীকে নিয়ে ছুটতে হয় নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে।

যানজট বা অন্যান্য কারণে রাস্তায় বিলম্ব হলে, চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আগেই মৃত্যু ঘটে আহত ব্যক্তির। সাধারণ মানুষ মনে করেন, চিকিৎসা সেবা আগে  তারপর আইনি প্রক্রিয়া। দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া নিয়ে এবারের আয়োজন  সরকারি হিসেবে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যান্য অপরাধমূলক ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকে।

এছাড়াও উচুঁ ভবন থেকে পড়ে যাওয়া, আত্মহত্যার চেষ্টা, আগুনে পোড়া, বৈদ্যুতিক শকসহ নানা দূর্ঘটনায় প্রাণ যায় অনেক মানুষের।  এসব ঘটনায় আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা পাওয়া কষ্টকর। আইনি জটিলতার কথা ভেবে বেসরকারি হাসপাতাল এসব আহতদের গ্রহণ করতে চান না। ফলে ছুটতে হয় সরকারি হাসপাতালে।

 

 

 

৫ বছরে ১২ হাজার ৮৪ টি সড়ক দূর্ঘটনায় সর্বমোট নিহত ১২ হাজার ৩৫০ জনএ সময়ে আহত ১৫ হাজার ৫৯৭ জন।

এছাড়াও সারাদেশে ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে খুন হয়েছে ২১হাজার ২২ জন; এদের অধিকাংশকই মৃত্যুর আগে নেয়া হয়েছিল হাসপাতালে। যানজটে বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অধিকাংশ রোগীর মৃত্যু হয় পথিমধ্যে। অথচ তাৎক্ষণিক চিকিৎসা রক্ষা করতে পারতো অমূল্য জীবন। চিকিৎসা সেবাই প্রথম। আহতকে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে তোলাটাই জরুরী।

পুলিশে রিপোর্ট করার প্রয়োজন হতে পারে, রাজধানীতে এমন রোগীদের নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অথচ যেকোন হাসপাতালই দিতে পারে জীবন রক্ষার জরুরী চিকিৎসা সেবা।

আইনি প্রক্রিয়া যেকোন সময় করা যায় মন্তব্য করে সকল হাসপাতালকে জরুরী সেবা দিতে এগিয়ে আসার কথা বলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন।

বিস্তারিত দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন: