কতটা কাজে আসছে নারী নিরাপত্তার হেল্প লাইন ১০৯

19

সাইদুর রহমান আবির:

হেল্প লাইন নম্বর ১০৯। ইভটিজিং, ধর্ষণ এবং নারীদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন প্রতিরোধে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অন্যতম এটি। এ নম্বরে কল দিলে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য নারীরা পাবেন সরকারি সব ধরনের সহযোগিতা। সরকারের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকরী ভূমিকা রাখছে নারী নির্যাতন বন্ধে? তাই বের করার চেষ্টা এই প্রতিবেদনে।

হরহামেশাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারীরা। তরুণী কিংবা কিশোরী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা কর্মস্থল, মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের চলাচল করতে হয় গণপরিবহনে। আর রাত যত বাড়তে থাকে একজন নারীর ক্ষেত্রে কমে আসতে থাকে নিরাপত্তা।

ইভটিজিংয়ের রেশ এখনও কাটেনি। তার সাথে যুক্ত হয়েছে ধর্ষণ। হয়তো কেউ ভুলে যাইনি সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে পরীক্ষায় অংশ নেয়া রুপার কথা।

ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গণপরিহনে ধর্ষণের শিকার হয়ে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয় রুপাকে। এরকম অসংখ্য রুপার উদাহরণ রয়েছে। যা ভাবিয়ে তুলেছে সবাইকে

ইভটিজিং ধর্ষণ এবং নারীদের উপর যে কোন নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হেল্পলাইন ১০৯। যে কোন ফোন থেকে এই নম্বরে কল দিয়ে জানালেই নারীদের নিরাপত্তাজনিত যেকোন সমস্যায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিবে সরকার। এই কার্যক্রম দেখতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদফতরে গিয়েছিলো মাই সার্চ টিম।

আর সরকারের এই পদক্ষেপে সহযোগিতার পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানান পুলিশ। সামাজিক মূল্যবোধ এবং জনসচেতনতা না বাড়ালে নারী নিরাপত্তাজনিত সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করেন সমাজ বিজ্ঞানীরা।

বিস্তারিত দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন: