বিএনপির পাপ ধৌত করলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে: সেতুমন্ত্রী

17

বিএনপির পাপ যদি ধৌত করতে যায় তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। লুটপাট, খুন, আগুন সন্ত্রাসে বিএনপির  পাপে পাপে, অনেক পাপ জমে গেছে। এটা ধৌত করবে এমন শক্তি কারো নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্মৃতি ঐতিহ্য ঘোষণা করায় এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ওবায়দুল কাদের ভারতীয় একটি সিনেমার নাম উল্লেখ করে বলেন, পাপীর পাপ ধৌত করতে করতে রামের গঙ্গা ময়লা হয়ে গেছে। আমাদের বুড়িগঙ্গাও ময়লা হয়ে গেছে। খালেদা জিয়া নিজের আচরি ধর্ম পরকে শেখান। আগে নিজেরা শুদ্ধ হোন তারপর অন্যকে বলুন শুদ্ধ হওয়ার জন্য। আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো আমরা। আমাদের ভুল-ত্রুটি আছে, আমরা শতভাগ শুদ্ধ একথা বলবো না। কিন্তু আপনারাতো শতভাগের কাছাকাছি অশুদ্ধ।

ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলে আইনের কী সমস্যা হয়েছে? গণতন্ত্রের কী সমস্যা হয়েছে। আপনারা (বিএনপি) নির্বাচনে এলেন না, অনেককে অপ্রতিদ্বন্দ্বি করলেন। এর দোষ কি জনগণকে নিতে হবে? আপনি এলেন না, দোষ তো আপনাদের।

এতে নির্বাচনেরও কোন দোষ নেই, বৈধতারও কোন সংকট নেই। আদালত কি তাদের (বিএনপি) মত ঘোড়ার ঘাস খায় নাকি? যে সেই ব্যাপারে রায় দিয়ে দিবে। এখনতো মনে হয় বিএনপি নেতারা চান- আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রায় দিক যে, নির্বাচন কমিশনকে একটি ম্যান্ডেট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে জিতাতে হবে! তা না হলে হয়তো দেশে আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু হবে। এটা দিলেই হয়তো বিএনপি বেশি খুশি হবে।

বিচারপতির পদত্যাগ অশনি সংকেত বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেভাবে নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে এটা বিএনপির জন্য অশনি সংকেত। নির্বাচনে না এলে তাদের ভবিষ্যতও অশনি সংকেত।

তিনি বলেন, ইতিহাসের মহানায়কের বঙ্গপাশে ইতিহাসের ফুটনোটকে (জিয়াউর রহমান) তুলনা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে যখন স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়, তখন মনে হয় তিনি কবরে শুয়ে ছটফট করেন। কারণ তিনি নিজেই বলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর সাত মার্চের ঘোষণা স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল।

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।