অবহেলা নয়, একটু কাজের সুযোগ চায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলো

12
কতিপয় হিজড়া

সাইদুর রহমান আবির:

সমাজ, পরিবার পরিজন, চাকুরী, শিক্ষাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আর যে কারণে জীবিকার তাগিদে বেছে নেয় বেপরোয়া জীবন।

বলছি দেশের হিজড়া হিসেবে পরিচিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলোর কথা। সম্প্রতি এর ব্যতিক্রমও রয়েছে, বেপরোয়া জীবন ছেড়ে হিজড়াদের কর্মমুখী করার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। অবহেলা নয়, একটু কাজের সুযোগ চায় এ মানুষগুলো।

রিপোর্টার: সাইদুর রহমান আবির

দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে এই জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী করতে সমাজের কর্তা ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়ে এবারের আয়োজন।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্রতম অংশের নাম হিজড়া। সমাজের মূল ধারা বা স্বাভাবিক নারী পুরুষ থেকে এরা আলাদা। কোনো না কোনো পরিবারে প্রকৃতিগতভাবে জন্ম হলেও সবার কাছ থেকে ছিটকে পরতে হয় ওদের।

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে পরিচিত এ মানুষগুলোর জীবন মানেই সংগ্রাম। পরিবার সমাজ বা রাষ্ট্রীয় কোন শব্দের মধ্যেই মানবতার সাথে পরিচিত নন হিজড়া জনগোষ্ঠীর এই মানুষগুলো।

কয়েকজন হিজড়া

এমনকি মমতাময়ী মা পর্যন্তও সমাজ সংস্কারের ভয়ে তার হিজড়া সন্তানটিকে নিজের মমতা থেকে একসময়ে দূরে ঠেলে দেয়। প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালে জন্ম নেয়া এই সন্তানটি ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে সমাজ ও পরিবার থেকে।

আমরাও মানুষ, আমরাও বাঁচতে চাই। তাদের এই আর্তি পৌঁছায়না সমাজের সুশীলদের কানে। তাই তারা বেছে নেয় অন্য এক জীবন, যা স্বাভাবিক জীবনের চেয়ে অনেক আলাদা।

তবে এই চিত্রের পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। পুলিশ অফিসার হাবিবুর রহমানের উদ্যোগে এ জনগোষ্ঠীর অনেককেই কর্মসংস্থান করে দেয়া হয়েছে।

হিজড়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের এমন কর্মসংস্থান তৈরি করা নিয়ে কথা হয় উদার এই উদ্যেক্তার সাথে।
এ সম্প্রদায়ের মানুষগুলো নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

প্রতিটি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো এগিয়ে আসলেই সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

নিচের  লিংকে ভিডিওটি দেখুন: