ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ , ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী
কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা

১৮ লাখ টাকায় পাসের চুক্তি, ডিভাইসসহ ৫ পরীক্ষার্থী আটক

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৯:০৬:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৯:০৬:৩৯ অপরাহ্ন
১৮ লাখ টাকায় পাসের চুক্তি, ডিভাইসসহ ৫ পরীক্ষার্থী আটক
শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার ( মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলের পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাসের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিলেন।

আটকরা হলেন- সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হান হোসেন চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের জহুর আলীর ছেলে মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, কনস্টেবল পদের লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর সন্দেহভাজন এই পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করা হয়। এসময় তাদের শরীরে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জি জুতার ভেতরে সেলাই করা অবস্থায় ডিজিটাল ডিভাইস এবং কানে ক্ষুদ্র ইয়ারফোন পাওয়া যায়। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাদের এই ডিভাইস ব্যবহারের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠিয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, একটি প্রতারক চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। জালিয়াতির জন্য তারা পরিধেয় বস্ত্রগুলো আলাদাভাবে তৈরি করে নেয়। পুরো চক্রটিকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ নিরপেক্ষ রাখতে পুলিশ সদর দপ্তরের কড়া নির্দেশনা অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 

কমেন্ট বক্স