ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনুমোদন পেল ৪ ডিজিটাল ব্যাংক আজ জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি আনোয়ারুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে গাজী নজরুল ৫১তম বিশেষ বিসিএস: নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে বাংলার প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক রোহিঙ্গা সংকটের সূচনা মিয়ানমারে, সমাধানও মিয়ানমারেই : তারেক রহমান ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ প্রতারণার মামলায় ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ২৪৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ সুযোগ তৈরি হলে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল এক পয়সা বেশি ভাড়া আদায় হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়ল বাস ভাড়া গাজী নজরুল চার দিন ও তার স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা

১৮ লাখ টাকায় পাসের চুক্তি, ডিভাইসসহ ৫ পরীক্ষার্থী আটক

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৯:০৬:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৯:০৬:৩৯ অপরাহ্ন
১৮ লাখ টাকায় পাসের চুক্তি, ডিভাইসসহ ৫ পরীক্ষার্থী আটক
শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলের পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাসের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিলেন।

আটকরা হলেন- সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মো. মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হান হোসেন ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের জহুর আলীর ছেলে মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, কনস্টেবল পদের লিখিত পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর সন্দেহভাজন এই পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করা হয়। এসময় তাদের শরীরে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জি ও জুতার ভেতরে সেলাই করা অবস্থায় ডিজিটাল ডিভাইস এবং কানে ক্ষুদ্র ইয়ারফোন পাওয়া যায়। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাদের এই ডিভাইস ব্যবহারের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠিয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, একটি প্রতারক চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। জালিয়াতির জন্য তারা পরিধেয় বস্ত্রগুলো আলাদাভাবে তৈরি করে নেয়। পুরো চক্রটিকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখতে পুলিশ সদর দপ্তরের কড়া নির্দেশনা অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 

কমেন্ট বক্স