ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ , ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনিতে ধস, নিহত ৯

  • আপলোড সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৫:৩৭:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৫:৩৭:১৯ অপরাহ্ন
ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনিতে ধস, নিহত ৯
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে একটি অবৈধ স্বর্ণখনিতে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) দেশটির স্থানীয় পুলিশ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, পশ্চিম সুমাত্রার সিজুঞ্জুং জেলায় অবস্থিত খনিটির পাশে থাকা একটি পাহাড় বৃহস্পতিবার ধসে পড়ে। সে সময় শ্রমিকরা পাহাড়ের প্রায় তিন মিটার নিচে কাজ করছিলেন। আকস্মিক ধসে তারা মাটিচাপা পড়েন।

পশ্চিম সুমাত্রা পুলিশের মুখপাত্র সুস্মেলাবতি রোসা জানান, ঘটনাস্থলটি একটি অবৈধ স্বর্ণখনি। পাহাড় ধসের সময় সেখানে কর্মরত নয়জন শ্রমিক নিহত হন। তবে তিনজন শ্রমিক জীবিত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে নিখোঁজ সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে খনিটি বন্ধ ঘোষণা করে পুলিশি নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে। একই সাথে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে প্রশাসন।

খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ ইন্দোনেশিয়ায় অনুমোদনহীন খনিতে কাজ করা একটি সাধারণ ঘটনা। বিশেষ করে পরিত্যক্ত খনিগুলোতে স্থানীয়রা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই সোনার আকরিক সংগ্রহে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৪ সালে সুলাওয়েসি দ্বীপে এবং গত বছর পশ্চিম জাভার একটি চুনাপাথরের খনিতেও একই ধরনের দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনওয়ালহি সংগঠনটির তথ্যমতে, ২০১২ সাল থেকে শুধু পশ্চিম সুমাত্রাতেই অবৈধ খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে ওয়ালহি বলেছে, সিজুঞ্জুংয়ের এই দুর্ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে পরিবেশবিধ্বংসী ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ খনন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।


 

কমেন্ট বক্স