ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ , ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নিহত পাঁচজনের দাফন সম্পন্ন

  • আপলোড সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৩:৫৮:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৩:৫৮:১৭ অপরাহ্ন
গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নিহত পাঁচজনের দাফন সম্পন্ন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পটুয়াখালীর বাউফলে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর কনকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।

নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ আবুল কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩৫), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ছোট মেয়ে কথা () পরিবারের সবাই নারায়ণগঞ্জে একসাথে বসবাস করতেন।

গত ১০ মে ফতুল্লার ভূঁইগড় গিরিধারা এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুনের সূত্রপাত হলে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের পাঁচজনই দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ মে প্রথম মারা যান আবুল কালাম। তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পরে একে একে মারা যায় সাত বছরের কথা, ছেলে মুন্না মেয়ে মুন্নি। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে মারা যান সায়মা আক্তার। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। স্বজনদের কান্নায় স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। শনিবারের জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে পরিবার নিয়ে থাকতেন আবুল কালাম। সীমিত আয়েও সন্তানদের লেখাপড়ার বিষয়ে তিনি ছিলেন আন্তরিক।

নিহতদের এক স্বজন বলেন, একসাথে পাঁচজনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আসবে, এমন দৃশ্য কখনো কল্পনাও করিনি। একটা পরিবার পুরো শেষ হয়ে গেল। 


 

কমেন্ট বক্স