ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। আজ বুধবার (১০ জুন) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি। গত সোমবার (৮ জুন) ভোরে জেনেরাল সান্তোস শহরের দক্ষিণে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। শহরটিতে সাত লাখ ২০ হাজার মানুষের বসবাস। ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফিলিপিন্সের সারাঙ্গানি প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।
কম্পন পুরো মিন্দানাওজুড়ে অনুভূত হয়। এমনকি ৪২০ কিলোমিটার দূরে ইন্দোনেশিয়ার মানাদো শহরেও ভূমিকম্পের কম্পন টের পাওয়া যায়। প্রথমদিনই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। এরপর যতই সময় গড়িয়েছে, মৃতের সংখ্যা ততই বেড়েছে।
ভূমিকম্পের তিনদিন পর উদ্ধারকারীরা আজ বুধবারও ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধার করেছেন। একটি সুপারমার্কেটের ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধারের জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা চালান উদ্ধারকারীরা।
স্থানীয় উদ্ধারকর্মী মিশেল চুয়া জানান, উদ্ধার অভিযানের শুরুতে জীবন শনাক্তকারী যন্ত্রে একটি ‘ক্ষীণ স্পন্দনের’ সংকেত পাওয়া গিয়েছিল। তবে ‘যখন তারা মরদেহটির কাছে পৌঁছায়... তখন জীবনের কোনো লক্ষণ আর পাওয়া যায়নি।’
আজ দেশটির বুধবার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, মৃতের সংখ্যা ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও ১৭ জন। এক সাক্ষাৎকারে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রাফায়েলিতো আলেহান্দ্রো বলেন, নতুন করে শনাক্ত হওয়া মৃতের অধিকাংশ দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশে। তাদের বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে ভূমিধস বা ভবন ধসে।
ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল জেনারেল সান্তোস সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এটি আঘাত হানে।
ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পে একটি জোলিবি রেস্তোরাঁর উপরের তলা ধসে পড়েছে। এছাড়া ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে অবস্থিত জেনারেল সান্তোষ সিটির একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সের বাইরের কংক্রিটের দেয়ালও ভেঙে পড়ে। ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ ফিলিপিন্স, উত্তর ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছিল। তবে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
কম্পন পুরো মিন্দানাওজুড়ে অনুভূত হয়। এমনকি ৪২০ কিলোমিটার দূরে ইন্দোনেশিয়ার মানাদো শহরেও ভূমিকম্পের কম্পন টের পাওয়া যায়। প্রথমদিনই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। এরপর যতই সময় গড়িয়েছে, মৃতের সংখ্যা ততই বেড়েছে।
ভূমিকম্পের তিনদিন পর উদ্ধারকারীরা আজ বুধবারও ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধার করেছেন। একটি সুপারমার্কেটের ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধারের জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা চালান উদ্ধারকারীরা।
স্থানীয় উদ্ধারকর্মী মিশেল চুয়া জানান, উদ্ধার অভিযানের শুরুতে জীবন শনাক্তকারী যন্ত্রে একটি ‘ক্ষীণ স্পন্দনের’ সংকেত পাওয়া গিয়েছিল। তবে ‘যখন তারা মরদেহটির কাছে পৌঁছায়... তখন জীবনের কোনো লক্ষণ আর পাওয়া যায়নি।’
আজ দেশটির বুধবার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, মৃতের সংখ্যা ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও ১৭ জন। এক সাক্ষাৎকারে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রাফায়েলিতো আলেহান্দ্রো বলেন, নতুন করে শনাক্ত হওয়া মৃতের অধিকাংশ দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশে। তাদের বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে ভূমিধস বা ভবন ধসে।
ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল জেনারেল সান্তোস সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এটি আঘাত হানে।
ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পে একটি জোলিবি রেস্তোরাঁর উপরের তলা ধসে পড়েছে। এছাড়া ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে অবস্থিত জেনারেল সান্তোষ সিটির একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সের বাইরের কংক্রিটের দেয়ালও ভেঙে পড়ে। ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ ফিলিপিন্স, উত্তর ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছিল। তবে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
Mytv Online