মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে সফল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। গত ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে তিনি চীন থেকে দেশে ফেরেন।
আজ সংসদের বৈঠকের শুরুতে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার আনা প্রস্তাবটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে ভোটে দেন স্পিকার।
পরে কণ্ঠভোটে সেটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। তবে ওই সময় সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী।
ধন্যবাদ প্রস্তাব সংসদে তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এ সফরে অনেকগুলো চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
‘ফ্যাসিবাদের’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে যাওয়ার সময় ও দেশে ফিরে সংবর্ধনা নিতেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, প্রধানমন্ত্রী এটি বন্ধ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কোনো ধরনের সংবর্ধনা দেয়া যাবে না।
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফলতা অনেক বলেও জানান বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে ১৭টি এমওইউ হয়েছে। গণচীনের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন, অত্যন্ত হৃদ্যতার সঙ্গে এসব বৈঠক হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও। প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, এই দেশটা সবার। আমরা সকলে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কথা বলে থাকি। আমরা সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই, বাস্তবায়ন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয় আমরা সরকারকে আশ্বস্ত করছি আমরা সকল সহযোগিতা করব।
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং সরকারের সফলতা কামনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই সংসদ যেন সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হয়। এই সংসদকে এড়িয়ে কিছুই যেন না হয়।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। গত ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে তিনি চীন থেকে দেশে ফেরেন।
আজ সংসদের বৈঠকের শুরুতে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার আনা প্রস্তাবটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে ভোটে দেন স্পিকার।
পরে কণ্ঠভোটে সেটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। তবে ওই সময় সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী।
ধন্যবাদ প্রস্তাব সংসদে তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এ সফরে অনেকগুলো চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
‘ফ্যাসিবাদের’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে যাওয়ার সময় ও দেশে ফিরে সংবর্ধনা নিতেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, প্রধানমন্ত্রী এটি বন্ধ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কোনো ধরনের সংবর্ধনা দেয়া যাবে না।
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফলতা অনেক বলেও জানান বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে ১৭টি এমওইউ হয়েছে। গণচীনের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন, অত্যন্ত হৃদ্যতার সঙ্গে এসব বৈঠক হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও। প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, এই দেশটা সবার। আমরা সকলে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কথা বলে থাকি। আমরা সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই, বাস্তবায়ন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয় আমরা সরকারকে আশ্বস্ত করছি আমরা সকল সহযোগিতা করব।
প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং সরকারের সফলতা কামনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই সংসদ যেন সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হয়। এই সংসদকে এড়িয়ে কিছুই যেন না হয়।
Mytv Online