রাউন্ড ৩২–এর ম্যাচে শনিবার ভোরে কেপ ভার্দের বিপক্ষে খেলতে নামবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নামলেও আফ্রিকান দ্বীপরাষ্ট্রটি ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন তৈরি করেছে। আবার লিওনেল স্কালোনির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের মুখোমুখি ম্যাচ আরও লাইমলাইটে রেখেছে কেপ ভার্দেকে। এই ম্যাচে বেশকিছু রেকর্ড হতে পারে আর্জেন্টিনারও। মেসি-স্কালোনিও ব্যক্তিগত কীর্তি গড়তে পারেন।
কেপ ভার্দে ম্যাচে যেসব রেকর্ড হতে পারে
লিওনেল স্কালোনির দল বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচে (৭ জয় ও ২ ড্র) অপরাজিত রয়েছে। কেপ ভার্দের সঙ্গে হার এড়াতে পারলেই তারা ২০০২ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে গড়া বিশ্বকাপে নিজেদের টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি ছুঁয়ে ফেলবে। এ ছাড়া বিশ্বকাপে নিজেদের ৫১তম জয় তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে নামবে আর্জেন্টিনা। কেবল ব্রাজিল (৭৮) এবং জার্মানির (৭০) জয় আর্জেন্টিনার চেয়ে বেশি।
আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে স্কালোনি শততম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করবেন। আলবিসেলেস্তেরা তার অধীনে ৯৯টি ম্যাচের মধ্যে ৭২টিতে জয়, ১৮টি ড্র এবং স্রেফ ৯টিতে হেরেছে। ৭৯ শতাংশ জয়ের পাশাপাশি ৪টি মেজর ট্রফি জিতেছেন স্কালোনি।
বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি (এখন পর্যন্ত ১৯) আগের তিন ম্যাচে ৬ গোল এবং ১৫টি শট নিয়েছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামলেই তিনি তার ক্যারিয়ারে ৩০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করবেন। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড আগে থেকেই তার দখলে আছে।
এর আগে ৪টি বিশ্বকাপে (১৯৩০, ১৯৯৮, ২০১০ এবং ২০১৪) গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। মজার বিষয় হলো, এর মধ্যে ২ বারই তারা ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল তারা।
আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে স্কালোনি শততম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করবেন। আলবিসেলেস্তেরা তার অধীনে ৯৯টি ম্যাচের মধ্যে ৭২টিতে জয়, ১৮টি ড্র এবং স্রেফ ৯টিতে হেরেছে। ৭৯ শতাংশ জয়ের পাশাপাশি ৪টি মেজর ট্রফি জিতেছেন স্কালোনি।
বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি (এখন পর্যন্ত ১৯) আগের তিন ম্যাচে ৬ গোল এবং ১৫টি শট নিয়েছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামলেই তিনি তার ক্যারিয়ারে ৩০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করবেন। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড আগে থেকেই তার দখলে আছে।
এর আগে ৪টি বিশ্বকাপে (১৯৩০, ১৯৯৮, ২০১০ এবং ২০১৪) গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। মজার বিষয় হলো, এর মধ্যে ২ বারই তারা ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল তারা।
প্রথবারের মতো বিশ্বকাপের চমক কেপ ভার্দের বিপক্ষে খেলবে মেসি-স্কালোনির আর্জেন্টিনা। ফুটবল ইতিহাসে আগে কখনোই তাদের দেখা হয়নি।
বিশ্বকাপের নকআউটে ৩০তম ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা। সর্বশেষ ২৯ ম্যাচে তারা ১৩ জয়, ৭ ড্র এবং ৯টিতে হেরেছে। এ ছাড়া নকআউটে মোট ১১ বার অতিরিক্ত সময়ে খেলেছে আকাশী-সাদা জার্সিধারীরা, এর মধ্যে ৩ জয়, ৭ ড্র এবং ১টিতে হেরেছে।
বিশ্বকাপের শেষ ৯ ম্যাচে আর্জেন্টিনা প্রতিটিতে অন্তত ২টি বা তার বেশি গোল করেছে, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে একটি রেকর্ড (দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ ম্যাচ ফ্রান্সের)। এ ছাড়া শেষ ৫টি ম্যাচের ৪টিতেই (ক্রোয়েশিয়া, ফ্রান্স, আলজেরিয়া ও জর্ডান) ৩টি করে গোল দিয়েছে মেসিরা। গত বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে হারের পর আর কোনো ম্যাচে তাদের গোল দুইয়ের নিচে ছিল না।
বিশ্বকাপে আফ্রিকান দেশগুলোর বিপক্ষে শেষ ৭টি ম্যাচেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের কাছে ১-০ গোলে হার আফ্রিকান দেশের বিপক্ষে তাদের একমাত্র বিপর্যয়। তবে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এবারই প্রথম কোনো আফ্রিকান দলের মুখোমুখি হচ্ছে।
এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে কেপ ভার্দে। আর বিশ্বকাপের নতুন দলগুলোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রেকর্ড দারুণ। তারা নতুন দলগুলোর বিপক্ষে খেলা শেষ ৯টি ম্যাচের ৮টিতেই জিতেছে। কেবল একবার ১৯৩৪ সালে সুইডেনের বিপক্ষে হেরেছে আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের শেষ ৩২টি ম্যাচের মধ্যে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় আর্জেন্টিনা মাত্র ৫ ম্যাচ হেরেছে। যা মোট ম্যাচের মাত্র ১৫ শতাংশ (টাইব্রেকারের হার বাদে)।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টাইব্রেকার জেতার রেকর্ড আর্জেন্টিনার। ৭ বার টাইব্রেকারে গিয়ে তারা ৬টিতেই জিতেছে, সফলতার হার ৮৬ শতাংশ। একমাত্র ২০০৬ সালে জার্মানির কাছে ২-৪ ব্যবধানে টাইব্রেকারে হেরেছিল আর্জেন্টিনা।
কেপ ভার্দে ৩টি ম্যাচই ড্র করে নকআউট পর্বে উঠে ইতালি (১৯৮২), আয়ারল্যান্ড (১৯৯০) এবং চিলির (১৯৯৮) ঐতিহাসিক কীর্তিতে ভাগ বসিয়েছে। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ইতিহাসে একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ ম্যাচে (৩টাই ড্র) অপরাজিত রয়েছে তারা।
গোলরক্ষক ভোজিনহা দ্বীপরাষ্ট্রটির এই রূপকথা লেখার অন্যতম নায়ক। তিনি ৩টি ম্যাচের মধ্যে ২টিতে কোনো গোল হজম করেননি (ক্লিন শিট) এবং পুরো টুর্নামেন্টে মোট ১০টি দুর্দান্ত সেভ করেছেন।
কেপ ভার্দের জনসংখ্যা মাত্র ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৭৭। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত কম জনসংখ্যার কোনো দেশ এর আগে নকআউট পর্বেও উঠতে পারেনি।
এএইচএস
Mytv Online