ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এবার লালনের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড

  • আপলোড সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৮:৩২:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৮:৩২:১৯ অপরাহ্ন
আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড
একটা সময় ছিল, যখন পড়াশোনা শেষ করে কুড়ির কোঠায় থাকা কোনও তরুণ বা তরুণী মা-বাবার বাড়িতে ফিরে আসাকে ভাবা হতো ব্যক্তিস্বাধীনতার অভাব বা একধরনের ব্যর্থতা। কিন্তু বর্তমানের আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে আমেরিকার সমাজব্যবস্থায় সেই ধারণা পুরোপুরি বদলে গেছে। ২০২৬ সালে এসে মা-বাবার সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকাকে এখন আর লজ্জার কিছু মনে করা হয় না; বরং একে দেখা হচ্ছে বুদ্ধিমানের মতো আর্থিক সাশ্রয় ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে।

ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, গত বছর ৩০ বছরের কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৪৯ শতাংশই মা-বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করছিলেন, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। আর থ্রাইভেন্ট নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ বলছে, মা-বাবার ঘরে ফিরে আসা এই তরুণদের ৫৫ শতাংশই এসেছেন মূলত আর্থিক বাধ্যবাধকতার কারণে। বর্তমানে আমেরিকায় একটি বাড়ির গড় দাম ৪ লাখ ডলার ছাড়িয়েছে, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শহরের ভাড়া। ইউনিভার্সিটি শেষ করা অনেক তরুণের মাথায় আবার চেপে আছে হাজার হাজার ডলারের স্টুডেন্ট লোন। ২৮ বছর বয়সী মেগান ট্যালি যেমন বলেন, এখন একা থাকতে গেলে মাসের শেষে পকেটে একটা কানাকড়িও থাকবে না।

এই পরিস্থিতি মার্কিন সমাজ ও আবাসন ব্যবসাতেও পরিবর্তন আনছে। অনেক পরিবার এখন মূল বাড়ির পাশে ছোট আলাদা থাকার ঘর তৈরি করছে, যাতে সন্তানরা কয়েক বছর ভাড়া না দিয়ে টাকা জমিয়ে নিজেদের প্রথম বাড়ি কিনতে পারে। তরুণরা এখন নিজেদের ‘স্টে-অ্যাট-হোম ডটার’ বা ‘স্টে-অ্যাট-হোম সন’ পরিচয় দিয়ে টিকটকে ভিডিও বানাচ্ছেন, যা থেকে উল্টো আয়ও হচ্ছে। ২৯ বছর বয়সে ব্রেকআপের পর ম্যানহাটনের ফ্ল্যাট ছেড়ে মায়ের কাছে ফেরা সামান্থা স্তোবো এখন ৩৩ বছর বয়সেও মায়ের সঙ্গেই সানন্দে থাকছেন।

তবে বড় বয়সে মা-বাবার সঙ্গে থাকার কিছু নিজস্ব নিয়মও তৈরি হচ্ছে। যেমন ২৮ বছর বয়সী কেসি রাইট তার ঘরের টোয়াইলাইট সিনেমার পোস্টার ছিঁড়ে বড়দের মতো সাজিয়েছেন। মা-বাবার সঙ্গে তার কোনও সান্ধ্য আইন বা ‘কারফিউ’ না থাকলেও বাইরে যাওয়ার আগে জানিয়ে যান। কেসি তার বাবাকে রান্নায় ও ঘাস কাটায় সাহায্য করেন, আর মা দিনে কয়েকবার তার ঘরে আসেন প্রযুক্তির বিষয়ে সাহায্য নিতে। অন্যদিকে ৩৩ বছর বয়সী কারমেন জনসন জানান, মা-বাবার সঙ্গে থাকায় কোনও ভাড়া দিতে হয় না বলে সেই টাকা তিনি সংগীতে বিনিয়োগ করছেন। তবে প্রেমের প্রথম ডেটিংয়ে মা-বাবার সঙ্গে থাকার কথা সরাসরি বলতে কিছুটা দ্বিধা কাজ করে তার। আবার জেসিকা সুজিও নামের এক বিধবা নারীর দুই ছেলেই বাড়িতে থাকায়, নিজের নতুন বয়ফ্রেন্ডকে বাড়িতে নিয়ে আসাটা একটু অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়ায় সবার জন্যই।

কেসির বাবা ক্রেইগ রাইট জানান, ১৯৮০-এর দশকে তিনি যখন ৩০ বছর বয়সী তরুণ, তখন মাত্র ৭০ হাজার ডলারে তিন বেডরুমের বাড়ি কিনেছিলেন, যা এখনকার বাজারমূল্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। আজকের তরুণদের জন্য পরিস্থিতি যে মোটেও সহজ নয়, তা তিনি বোঝেন। তাই তরুণদের মা-বাবার সঙ্গে থাকার এই নতুন অভ্যাসকে এখন সবাই ‘স্বাভাবিক’ হিসেবেই মেনে নিচ্ছেন।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, বাংলাট্রিবিউন


কমেন্ট বক্স
সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার

সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার