কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের ‘হস্তক্ষেপ’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ জলপথ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রোববার ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, কয়েকটি বিদেশি জাহাজ অনুমোদিত নৌপথ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করলে বারবার সতর্ক করা হয়। সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় একটি জাহাজকে সতর্কতামূলক গুলি করে থামানো হয়।
আইআরজিসির ভাষ্য, বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং হরমুজ প্রণালিতে ‘অবৈধ রুট’ তৈরির প্রচেষ্টা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি বন্ধ থাকবে। এ সময় কোনো বাণিজ্যিক বা অন্য কোনো জাহাজকে এ পথ অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনার অজুহাতে যদি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা তাদের মিত্ররা নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে ইরান কঠোর জবাব দেবে। একই সঙ্গে অঞ্চলে প্রতিপক্ষের নতুন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই তারা হরমুজ প্রণালিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে মে মাসে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়, যেখানে ইরানের নির্ধারিত তদারকি অঞ্চলের বাইরে চলাচল না করতে এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছালেও ওয়াশিংটন ওই জলপথে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে আইআরজিসি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ইরানের এমন ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেলের বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
রোববার ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, কয়েকটি বিদেশি জাহাজ অনুমোদিত নৌপথ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করলে বারবার সতর্ক করা হয়। সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় একটি জাহাজকে সতর্কতামূলক গুলি করে থামানো হয়।
আইআরজিসির ভাষ্য, বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং হরমুজ প্রণালিতে ‘অবৈধ রুট’ তৈরির প্রচেষ্টা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি বন্ধ থাকবে। এ সময় কোনো বাণিজ্যিক বা অন্য কোনো জাহাজকে এ পথ অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনার অজুহাতে যদি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা তাদের মিত্ররা নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে ইরান কঠোর জবাব দেবে। একই সঙ্গে অঞ্চলে প্রতিপক্ষের নতুন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই তারা হরমুজ প্রণালিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে মে মাসে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়, যেখানে ইরানের নির্ধারিত তদারকি অঞ্চলের বাইরে চলাচল না করতে এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছালেও ওয়াশিংটন ওই জলপথে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে আইআরজিসি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ইরানের এমন ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেলের বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
Mytv Online