অপ্টার হিসাব অনুযায়ী, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ৫১.৯ শতাংশ সিমুলেশনে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যাচ জেতার ক্ষেত্রে সামান্য এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। তাদের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮.২ শতাংশ। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৩২.০ শতাংশ। ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৯.৭ শতাংশ। ম্যাচ ড্র হলে তা অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে, প্রয়োজনে টাইব্রেকারও হতে পারে।
তবে ফাইনালে ওঠার হিসাবে দুই দলের ব্যবধান খুবই সামান্য। ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ৫১.৯ শতাংশ। আর আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৪৮.১ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান বলছে, দুই দলের মধ্যে ব্যবধান একেবারেই কম।
মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানও বেশ কাছাকাছি। এখন পর্যন্ত ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে ইংল্যান্ড হেরেছে মাত্র দুইবার। জিতেছে ছয়বার। ড্র হয়েছে বাকি ছয়বার। যদিও এই ছয় ড্রয়ের একটিতে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় টাইব্রেকারে হেরে গিয়েছিল ইংল্যান্ড।
স্বাভাবিক সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের শেষ হার ছিল ১৯৮৬ সালে, বিখ্যাত সেই কোয়ার্টার ফাইনালে। গত পাঁচটি মুখোমুখি লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ে অপরাজিত আছে ইংল্যান্ড। শুধু ওই টাইব্রেকারের হারটিই এই ধারার ব্যতিক্রম।
বিশ্বকাপে এই নিয়ে ষষ্ঠবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশিবার আর্জেন্টিনা শুধু জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলেছে। তিন বা তার বেশিবার মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর মধ্যে ইতালি, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেই কেবল আর্জেন্টিনার জয়ের হার ইংল্যান্ডের চেয়ে কম।