ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মা, দুই ভাই ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, হত্যার পর ঘটনাটি অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে প্রচার করে রাতের মধ্যেই মরদেহ দাহ করা হয়। পরে প্রেমিকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, গত শুক্রবার হিমার্ষী নামে ওই তরুণীর প্রেমিক হার্ষিত থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন, পরিবারের সদস্যরাই তাঁর প্রেমিকাকে হত্যা করেছেন। তাঁর দাবি, প্রায় দেড় বছরের সম্পর্ক ছিল তাঁদের। কিন্তু ভিন্ন বর্ণের হওয়ায় শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরোধিতা করে আসছিল হিমার্ষীর পরিবার।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং শুক্রবার রাতেই হিমার্ষীর মা, দুই ভাই ও দুই চাচাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি না এবং এর পেছনে সম্মান রক্ষার উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হিমার্ষী বাড়ি থেকে বের হয়ে একটি দোকানে গেলে সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রেমিক। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা সেখানে পৌঁছে দুজনকে মারধর করেন।
হার্ষিত দাবি করেছেন, ওই ঘটনার পরদিনই তাঁর প্রেমিকাকে হত্যা করা হয় এবং প্রমাণ নষ্ট করতে দ্রুত মরদেহ দাহ করা হয়। তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এ ঘটনার পর তাঁর নিজের জীবনও ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
Mytv Online