ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা মেসির জন্য বিশেষ হাততালি দেবে আর্জেন্টিনা সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস জলবায়ু অর্থায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সমন্বয়ক ড. সাইমুম পারভেজ প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা আমরা তো ওই রাজনৈতিক দল না, যে নিশি রাতের ভোট করব : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোসলে নেমে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, বেতন–ভাতাসহ যেসব সুবিধা পান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি সংশোধন হবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি ভোটের মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমেদ

সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা

  • আপলোড সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০১:০১:৫৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০১:০১:৫৩ অপরাহ্ন
সব নাগরিকের জন্য  ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে  সব সেবা

জন্মের পরই দেশের প্রতিটি নাগরিককে দেওয়া হবে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি বা ‘এক-আইডি’। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাগরিকের একক পরিচয় হিসেবে ব্যবহার হবে এই কার্ড। নতুন পরিচয়পত্র চালু হলে ধীরে ধীরে এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিদ্যমান বিভিন্ন কার্ডের সেবাও এতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এ জন্য ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল মেয়াদি ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ বা ডি-স্টার প্রকল্প হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। অনুমোদনের জন্য এর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।

বর্তমানে জন্মের পর নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন এবং ১৮ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি দেওয়া হয়। নতুন ব্যবস্থায় শিশুকাল থেকেই একজন নাগরিকের স্থায়ী ও স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয় তৈরি হবে। ফলে সরকারি সেবা নিতে একই তথ্য বারবার দেওয়ার প্রয়োজন কমবে।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘এক-আইডি’ চালু হলে একজন নাগরিকের পরিচয়, বিভিন্ন সরকারি সেবা এবং ডিজিটাল লেনদেন একটি ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এই ধারণাকে বলেছেন—‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’।

প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য কার্ড তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে উৎপাদন ও মুদ্রণ করা হবে ২০ কোটি কার্ড। প্রতিটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড তৈরি ও মুদ্রণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৬ টাকা। বিতরণ ও সরবরাহে আরও ১২৩ টাকা—অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রতি কার্ডে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা।

পুরো প্রকল্পে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণেই ব্যয় হবে প্রায় ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

তবে নতুন ‘এক-আইডি’ নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বিদ্যমান এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও টিআইএনের তথ্যভান্ডারের মধ্যে কার্যকর আন্তসংযোগ তৈরি করেই একই সুবিধা পাওয়া সম্ভব। এতে নতুন করে বড় প্রকল্প নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা বিবেচনা করা উচিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেনের মতে, বিদ্যমান জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাকেই ১৮ বছরের কম বয়সী নাগরিকদের যুক্ত করে একক পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।

অন্যদিকে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ‘এক-আইডি’ বাস্তবায়িত হলে একজন নাগরিকের জন্য একটিই স্থায়ী ডিজিটাল পরিচয় থাকবে—যার মাধ্যমে পাওয়া যাবে বিভিন্ন সরকারি সেবা।


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সব নাগরিকের জন্য  ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে  সব সেবা

সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা