ঢাকা , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ , ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চাই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁইছুঁই ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ভোটারের হাতের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর খুলল শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবের পাশে থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রে বসার পর এল নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের খবর, সড়ক অবরোধ পরীক্ষার্থীদের স্কুলছাত্রী তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণও করেন সিএনজিচালক সুমন: পুলিশ রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকের ১১ কর্মকর্তাকে ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুরের প্রথম ইউনিট আবরার হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যানি কারসন চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি সই ফ্যাসিবাদ আমলে নিপীড়িত শিক্ষকদের মূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার: মাহদী আমিন ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাল বাংলাদেশ সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা: এলজিআরডি মন্ত্রী চালুর দুদিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন

নিম্নমানের বই দিলে গ্রহণ করবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৭:২১:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৭:২১:৫৮ অপরাহ্ন
নিম্নমানের বই দিলে গ্রহণ করবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
প্রিন্টার্স নিম্নমানের বই সরবরাহ করলে তা গ্রহণ না করতে শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বইয়ের কাগজের মান, বাইন্ডিং ও অন্যান্য নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন ঠিক না থাকলে সেই বই নেওয়া যাবে না। একই সাথে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম বই সরবরাহ করলেও তা গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালীর গাউসুল আজম কমপ্লেক্সে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের অরাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নির্বাহী কমিটির সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত বই তুলে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। এবার স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা বন্ধ হওয়ার দিনই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ জন্য মাদরাসাপ্রধানদের সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো প্রিন্টার্স নির্ধারিত মানের চেয়ে নিম্নমানের বই সরবরাহ করতে না পারে। তিনি বলেন, অতীতে প্রিন্টার্সদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত মানের কাগজ ব্যবহার না করা এবং সময়মতো বই সরবরাহ না করার অভিযোগ ছিল। এবার প্রতিটি মাদরাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে নজর রাখতে হবে। প্রিন্টার্সদের ৯০ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানোর পর সেগুলো পর্যালোচনা করে বাকি বিল পরিশোধ করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এবার বাজারদর অনুযায়ী দরপত্র দেওয়া হয়েছে। তাই বই ছাপানোর কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ থাকা উচিত নয়। প্রিন্টার্সরা যাতে কাজে ফাঁকি দিতে না পারে, সে জন্য শিক্ষকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বিভিন্ন সরকারের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মাওলানা আব্দুল মান্নান।

তিনি শিক্ষক ছিলেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে কাজ করেছেন। মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে জিয়াউর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় মাদরাসা শিক্ষাকে আরো কার্যকর ও আধুনিক করার বিষয়ে কাজ হয়েছে। দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ভোকেশনাল শিক্ষা চালু করা হয়। মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগও সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষা পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা যেন ব্যবসায় শিক্ষা, প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে মাদরাসাগুলোকে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষা ছাড়া জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, অধিদপ্তর ও বিশ্ববিদ্যালয়-সব প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার মানোন্নয়নে একসাথে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ও বিএনপি সরকারের লক্ষ্য দেশ গঠন এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষা নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখেন না তিনি।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সরকারকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এ পরিস্থিতিতে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিকল্প নেই।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদ মোমতাজী।

কমেন্ট বক্স
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক চলছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক চলছে