ভারতের মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে একটি আবাসিক ভবনের ১৮ তলা থেকে পড়ে ৩৩ বছর বয়সী এক নারী ও তার ছয় বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারীর বাসা থেকে সাত থেকে আট পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে তার মৃত্যুর পর স্বামীকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করতে বলা হয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, ওই নারীর নাম একতা বানগাড় এবং তার ছেলে মাধব। তারা সিগনেচার পার্কের একটি আবাসিক এলাকায় একতার স্বামী মনোজ বানগাড়ের সঙ্গে থাকতেন। মনোজ পুনের একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একতা ছেলেকে নিয়ে ভবনটির ১৮ তলায় যান।
পরে সেখানকার করিডর থেকে একটি ডাক্টে ঝাঁপ দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, একতা কয়েক বছর ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।
তার বাসা থেকে উদ্ধার করা সাত থেকে আট পৃষ্ঠার চিঠিতে স্বামীর প্রতি অনুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগের কথা লিখেছেন একতা। মায়ের অনুপস্থিতি ছেলেকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, সে বিষয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। ছেলেকে সঙ্গে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে মাকে হারানোর পর তার বারবার মায়ের কথা জানতে চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চিঠির বক্তব্য ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে চিঠিতে উল্লেখ করা বিষয়গুলো নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।
Mytv Online