ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিষেককে রাহুলের ফোন, রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত “একাত্তরের ইতিকথা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কারের’ নিয়ম বাদ দেয়ার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি আলোচনা নিয়ে সুখবর দিল পাকিস্তান আগামী বছর থেকে হজের খরচ আরও কমাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ মাগুরায় সেলুনে চুল কাটার সিরিয়াল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬ ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে স্থানান্তর করা হবে না: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এবারও হরমুজ পাড়ি দিতে পারল না ‘বাংলার জয়যাত্রা হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের জেলখানায় বসেই ডাকাতির পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ১৩ শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–হামাস সরাসরি আলোচনায় ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিখোঁজ! বাকিতে চা বিক্রি না করা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ ৪১৯ যাত্রী নিয়ে আজ শুরু হচ্ছে প্রথম হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন মাইলস্টোনের শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে প্রতারণা করেছে : জামায়াত আমির নতুন উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, নাম কী?

জমিয়ত সভাপতির ইন্তেকালে মির্জা ফখরুলের শোক

  • আপলোড সময় : ২৩-১১-২০২৪ ০২:৫৯:২৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-১১-২০২৪ ০২:৫৯:২৫ অপরাহ্ন
জমিয়ত সভাপতির ইন্তেকালে মির্জা ফখরুলের শোক
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা হাফেজ মনসুরুল হাসান রায়পুরী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়ে ৭০ বছর। তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাগণ।জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক সৈয়দ তালহা ইসলাম গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ২২ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টায়  নিজ বাড়িতে স্ট্রোক করেন তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

 তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জমিয়তের নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবদুর রহীম ইসলামাবাদী ও মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, মাওলানা রশিদ বিন ওয়াক্কাস, বাংলাদেশ কওমি পরিষদের সভাপতি ও গুলিস্তান পীর ইয়ামেনী জামে মসজিদের খতিব মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় বলেন, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও দ্বীনি আলেম মরহুম আল্লামা মনসুরুল হাসান রায়পুরী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। একজন প্রসিদ্ধ ইসলামিক পন্ডিত হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তিনি ছিলেন সব সময় ন্যায় ও ইসসাফের পক্ষে সোচ্চার। আল্লামা মনসুরুল হাসান রায়পুরীর ইন্তেকালে দেশ একজন গুণী আলেমকে হারালো। এ শূন্যস্থান সহজে পূরণ হবার নয়।
 
জাতীয় নেতৃবৃন্দ মরহুম রায়পুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।তিনি ছাত্র জীবন থেকেই জমিয়তের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগরীর সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ জমিয়তের কাউন্সিলে তিনি জমিয়তের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী, সংসদের চিফ হুইপ ও এমপি আল্লামা মুফতী মোহাম্মদ ওয়াক্কাস রহ. এর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
 
পারিবারিক জীবনে ১৯৭৫ সালে তিনি বায়তুল মোকাররমের সাবেক খতিব মাওলানা উবায়দুল হক রহ. এর বড় মেয়ের সাথে পরিনয় সূত্রে আবদ্ধ হন। সিলেটের আন্দোলন-,সংগ্রাম কিংবা শিক্ষা-সংস্কৃতিতে মাওলানা মনসুরুল হাসান রায়পুরীর অনন্য অবদান রয়েছে।তিনি ১৯৫৪ সালে মৌলভীবাজার জেলার রায়পুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেম সৈয়দ হোসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর খলিফা হযরত মাওলানা হাবিবুর রহমান রায়পুরী (রহ.)।তিনি সিলেটের গলমুকাপন মাদরাসা, চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন। ১৯৬৭ সালে জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরে ভর্তি হয়ে ১৯৭১ সালে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
 
ময়মনসিংহের বালিয়া মাদরাসায় ভর্তি হয়ে মাত্র ৫ মাসে পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ করেন। কর্মজীবনে তিনি জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুরে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৭৪ সালে স্বীয় উস্তাদ আল্লামা নূর উদ্দীন আহমদ গহরপুরী রহ. এর নির্দেশনায় নেত্রকোণা জেলার কলমাসিন্দুর টাইটেল মাদরাসায় মুহাদ্দিস হিসেবে নিয়োজিত হন।১৯৭৬ সালে শরীয়তপুর জেলার শরীয়তিয়া আলিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস পদে নিয়োজিত হন। ১৯৭৮ সালে সিলেট নগরীর মদীনাতুল উলুম দারুসসালাম মাদরাসায় চলে আসেন। ৫ বছর হাদীসের খেদমত আঞ্জাম দেন। এছাড়াও জামিয়া মাদানিয়া খেলাফত বিল্ডিং সিলেট,  জামিয়া হোসাইনিয়া দক্ষিণকাছ সিলেট, জামিয়া ইসলামিয়া কওমিয়া মুন্সীবাজার মৌলভীবাজার সিলেট এর শায়খুল হাদীস ছিলেন। ইন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রাজধানীর ঢাকা খিলগাঁওয়ে অবস্থিত জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম নতুনবাগের শায়খুল হাদীস পদে নিয়োজিত ছিলেন।
 

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত “একাত্তরের ইতিকথা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত “একাত্তরের ইতিকথা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন