ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ , ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ এক দিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী অভেনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিইয়ে নতুন গুজব সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, আপিল শুনানি ১৬ জুন ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেল নরওয়ে

ম্যারাডোনাকে হারানোর ৪ বছর আজ

  • আপলোড সময় : ২৫-১১-২০২৪ ১১:২১:৫২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১১-২০২৪ ১১:২১:৫২ পূর্বাহ্ন
ম্যারাডোনাকে হারানোর ৪ বছর আজ
দিয়েগো ম্যারাডোনা। কারও কাছে বিদ্রোহী, কারও কাছে ফুটবলের ঈশ্বর। তবে পরিচয় একটি নামেই— দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। আজ তার চলে যাওয়ার চার বছর। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর, মাত্র ৬০ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরবিদায় নিয়েছিলেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে চোখের পানিতে ভাসিয়ে সেই দিন শেষ হয়েছিল এক যুগের।

১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর, আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আইরেসের ল্যানুস পার্টিডোর রাজধানীতে জন্ম ম্যারাডোনার। পায়ের জাদুতে মোহিত করতেন পুরো বিশ্ব। তার জন্ম তিন কন্যার পর, মায়ের প্রথম পুত্র সন্তান হিসেবে। ছোট দুই ভাই হুগো ও রাউলও পেশাদার ফুটবলার।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে ফুটবলে পা রাখেন ম্যারাডোনা। পরবর্তীতে সেই স্টেডিয়ামের নামকরণ হয় তার নামে। এরপর বোকা জুনিয়র্স, বার্সেলোনা, নাপোলি, সেভিয়া— বহু ক্লাবে খেলেছেন তিনি। তবে নাপোলির হয়ে তার কীর্তি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। দলকে তিনি একক কৃতিত্বে সেরি আ চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন, যা ক্লাবটির ইতিহাসে সেরা অর্জন।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার সবচেয়ে বড় অবদান ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। ম্যারাডোনার অসাধারণ নৈপুণ্যে শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার দুটি গোল এখনও ইতিহাসের সেরা— একটি ‘হ্যান্ড অব গড’, আরেকটি শতাব্দীর সেরা গোল। ১৯৯০ বিশ্বকাপেও দলকে ফাইনালে তোলেন তিনি। কিন্তু ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় ১৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হন।

কোচিং ক্যারিয়ারেও তার অবদান কম নয়। ২০০৮ সালে আর্জেন্টিনার কোচ হয়ে ২০১০ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেন নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে। যদিও কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল।

ম্যারাডোনাকে হারানোর পর বদলেছে অনেক কিছু। তিন যুগ পর আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতেছে, মেসি পেয়েছেন ৮টি ব্যালন ডি’অর। তবে ফুটবলে ম্যারাডোনার অবদান চিরকাল অমলিন। তার পায়ের জাদু, মাঠের মুহূর্তগুলো তাকে ফুটবলের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।

কমেন্ট বক্স