ঢাকা , সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় কাস্টমারকে কুপিয়ে জখম মুখ খুললে অনেকের আন্ডারঅয়্যারও খসে পড়ার চান্স আছে, হিসাব করে পাঙ্গা লড়তে আইসেন-ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ফেসবুক পোস্ট ব্যাঙের বিষ দিয়ে নাভালনিকে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২ আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বিএনপির আগ্রহে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান : আইন উপদেষ্টা মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করে পুলিশের কাছে বাবার আত্মসমর্পণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: মঙ্গলবার শপথ পাঠ করাবেন সিইসি মোদি-শেহবাজসহ আরও যেসব বিশ্বনেতা পেলেন শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে নিহত ২ নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দুই বিষয়ে শপথ নেবেন: আলী রীয়াজ ভোটে জিতে হাঁস কোলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা পরাজয়ের পর ফেসবুক পোস্টে যা বললেন তাসনিম জারা বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট সংসদ নির্বাচনে হারলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী জুলাই সনদে যা যা সই করেছি, সব পূরণ করবো: মির্জা ফখরুল বিএনপিকে চীনের উষ্ণ অভিনন্দন, নতুন অধ্যায় শুরুর প্রত্যয়

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় কাস্টমারকে কুপিয়ে জখম

ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় কাস্টমারকে কুপিয়ে জখম