ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ , ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ খাল খননে দুর্নীতির প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে সরকার: এ্যানি শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী সংসদে দেখে দেখে বক্তব্য দেওয়া ‘অ্যালাউড’ না: স্পিকার সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ সেনার পরিচয় প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র সংসদের ভেতরে সমাধান না পেলে রাজপথে যেতে বাধ্য হবো ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ এক রাতের ইবাদত ৮৩ বছরের সওয়াব সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ ঈদের সময় স্বর্ণালংকার থানায় রাখতে পারবেন : ডিএমপি কমিশনার সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, রাডার ক্ষতিগ্রস্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে স্বামী–স্ত্রীর কর্মস্থল যাচাই হবে আইবাসে সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান, সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ডা. শফিকুর রহমান পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল নিয়ে বড় সুখবর অশ্রু আর ভালোবাসায় আলী শামখানিকে বিদায় ইরানের মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে রোববার গোয়ালঘর থেকে দেড় হাজার লিটার পেট্রল- অকটেন উদ্ধার

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ