ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ , ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিলো সরকার গাঁজা সেবন না করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে এক সপ্তাহে ৪ জনের মৃত্যু, আহত আরও ৯ ‘টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমার মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি, করা হবে অস্ত্রোপচার পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু দেশের ৮ অঞ্চলে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, কমতে পারে ঢাকার গরম বাকি না দেওয়ায় দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫ জমি সংক্রান্ত বিরোধে বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কেটে ফেললো ছোট ভাই গৃহবধূকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে বালুচাপা পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার চাচা আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুর টেস্টে ৭৫ ওভারে পাকিস্তানের টার্গেট ২৬৮ রান

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু