ঢাকা , রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ , ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাইওয়ের পাশে টিকিট কাউন্টার থাকবে না : সড়কমন্ত্রী ১১ জেলায় নতুন ডিসি লালমনিরহাটে রেললাইনে শুয়ে থাকা বৃদ্ধ ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী ৮ বছর বন্ধ ছিল হামের টিকা, নতুন করে কিনতে ব্যয় হচ্ছে ৬০৪ কোটি- স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগরিকায় কোল্ড স্টোরেজে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট খাবারের অভাবেই মারা গেছেন সুনামগঞ্জের ১০ জন, লাশ ফেলে দেওয়া হয় ভূমধ্যসাগরে দরকষাকষিতে মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন সেনাপ্রধান আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বগতি হলেও দেশে বাড়ছে না তেলের দাম- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন এই ৫ ফল তেল না পেয়ে পাম্পের ম্যানেজারকে ট্রাকচাপায় হত্যা ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিগত সংসদ ছিল রাবার স্ট্যাম্প, এখন গণতন্ত্র উদ্ধার হয়েছে: ডেপুটি স্পিকার ঢাকায় বাড়তে পারে গরমের অনুভূতি, আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক ১৩ দিন বিরতির পর বিকেলে বসছে সংসদ অধিবেশন এআই চরিত্রের প্রেমে ৮৪ বয়সি নারী, লিখলেন প্রেমপত্র দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন খাল খননে জিয়াউর রহমানের নাম সামনে আসবে বলে উদ্যোগ নেয়নি বিগত সরকার স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী আর নেই

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১১ জেলায় নতুন ডিসি

১১ জেলায় নতুন ডিসি