ঢাকা , বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ , ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপিদের সংসদে বসিয়ে, ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে অর্থনীতি পরিবর্তন সম্ভব নয়- নাহিদ ইসলাম নেপালের নির্বাচন: জেন-জি ঝড়ে উড়ে গেল পুরোনো নেতৃত্ব রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল আনসারীকে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি সংসদ বসছে কাল, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ যুদ্ধ বন্ধের কৌশলে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র খোঁজা হচ্ছে পিছু হটার পথ ভারতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল সুর নরম হলো ইসরায়েলি মন্ত্রীর, বললেন ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চাই না ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা ক্লিনিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসাচ্ছে ইরান, চরম পরিণতির হুমকি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পকে দ্রুত সরে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা আজও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা তেহরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দিতে আগ্রহী ভারত ও চীন চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার জুলাই সনদের প্রতি শতভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার বিগত ১৬ বছর দেশে বিরোধী দল বলে কোনো কিছু ছিল না: নাহিদ ইসলাম বাবা হলেন রণদীপ হুডা ফ্যামিলি কার্ডে দুর্নীতির সুযোগ নেই: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী কর্মসপ্তাহ ৪ দিন ও এমপিদের বেতন কমালো সরকার

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঋণখেলাপিদের সংসদে বসিয়ে, ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে অর্থনীতি পরিবর্তন সম্ভব নয়- নাহিদ ইসলাম

ঋণখেলাপিদের সংসদে বসিয়ে, ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে অর্থনীতি পরিবর্তন সম্ভব নয়- নাহিদ ইসলাম