ঢাকা , রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬ , ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে তাইওয়ানের বিমানবন্দর থেকে দুই ইউটিউবার গ্রেপ্তার যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ভোট হালাল হলে গণভোট হারাম কেন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ইরানি তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধে প্রার্থনা দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার ঈদ মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের পাশে সব সময় থাকবে সরকার: মন্ত্রী আরিফুল হক ৬০ বছরে প্রথমবার ঈদের সময় বন্ধ মসজিদুল আকসা, মুসল্লিদের ওপর হামলা বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, তবুও টানা তৃতীয় সপ্তাহে পতনের পথে ঈদে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিদের পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ঘিরে ভয়াবহ জালিয়াতি, হুমকিতে কোটি মানুষের অর্থ-পরিচয় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফাঁকা কমলাপুর, নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন ঈদে সর্বোচ্চ সতর্কতায় র‍্যাব, নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেনা ঢাকার ভিন্ন রূপ, পথে পথে নেমেছে নীরবতা

জানেন কি কেক প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল ?

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ০৪:৪২:৫৮ অপরাহ্ন
জানেন কি  কেক প্রথম  কোথায় তৈরি হয়েছিল ?
কেক প্রথম তৈরি হয়েছিল মিসরীয়দের হাতে। ৩০০০-৫০০০ বছর আগে মিসরীয়রা রুটির সঙ্গে মধু বা মিষ্টি সিরাপ খেত। একসময় রুটিতে মিষ্টি স্বাদের জন্য নানান জিনিস মেশাতে থাকে। সেই সময় গমের আটা, খামির, ডিম, দুধ এবং মসলা দিয়ে কেক তৈরি করা হতো। মধু, ডুমুর বা খেজুর দিয়ে মিষ্টি করা হতো। কেকটি গরম করা হতো পাথরের ওপর রেখে। এখন যে কাজটি করা হয় ওভেনে। গোলাকার এবং মিষ্টি এই কেক ধর্মীয় উৎসব এবং উদযাপনে খাওয়া হতো। দেবতাদের উদ্দেশে বানানো হতো এবং মৃতদের সঙ্গে কবরে দিয়ে দেওয়া হতো মিষ্টি কেক। ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এর অনেক পরে ১৫ শতাব্দীর দিকে কেকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

১৫৭০ সালের দিকে এসে কেক বানানোর আজকের যে প্রক্রিয়া অর্থাৎ ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে ফোম বানিয়ে তৈরি করা শুরু হয়। তখন ডিমের ফোম তৈরি করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। প্রথম স্পঞ্জ কেক ১৮ শতকের শেষ দিকে ইতালির জেনোয়া অঞ্চলের একজন পেস্ট্রি শেফ উদ্ভাবন করেছিলেন।রাজার দরবারে ভোজসভার জন্য তিনি এই কেক তৈরি করেছিলেন। স্পঞ্জ কেক তৈরিতে ব্যবহার হতো ডিম, চিনি এবং ময়দা। সামান্য সুগন্ধি ব্যবহার করা হতো ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য। তবে কেক ব্যাটার তৈরি করার জন্য ডিমটিকে প্রস্তুত করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই সঙ্গে চিনি এবং ময়দার পরিমাপও ঠিক রাখতে হতো। নাহলে পার্ফেক্ট স্পঞ্জ কেক তৈরি সম্ভব হবে না। 

১৮ এবং ১৯ শতকের মধ্যদিকে ফ্রান্সে কেকের রেসিপিগুলো আরও পরিমার্জিত হয়। ১৭৮০ সালে ওভেন উদ্ভাবিত হয়, যা বেকিংয়ের কাজ আরও সহজ করে তোলে। পূর্বে বাড়ির বাবুর্চিরা রান্নার জন্য যে চুলা ব্যবহার করতেন সেখানে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হতো ফলে কেক তৈরি করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। ১৮৫০ সালে বেকিং পাউডার উদ্ভাবিত হয়। ১৮৮৪ সালের শেষের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন হয়, যেটি ডিম ফোটানোকে আরও সহজ করে তুলেছিল। ওহাইওতে উইলিস জনসন নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান, একটি যান্ত্রিক ডিম বিটার তৈরি করেন। এটি একটি ঘূর্ণমান বিটার, যেটাতে খুব সহজেই ডিম ফেটানো এবং কেকের মিশ্রণ তৈরি করা যায়। সূত্র : দ্য ফ্লাওয়ারিং হার্থ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে

সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে