ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ , ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ১২০ ব‍্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব‍্যাংক হিসাব তলব আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রোনালদো শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজীপুরে কর্মস্থলে ফিরছেন শ্রমিকেরা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চার সিদ্ধান্ত স্থগিত পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর, পাবেন জানুয়ারিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৪ টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা একযোগে ৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

ঋণ ৩ মাস প‌রি‌শোধ না করলেই খেলাপি : বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপলোড সময় : ২৮-১১-২০২৪ ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-১১-২০২৪ ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন
ঋণ ৩ মাস প‌রি‌শোধ না করলেই খেলাপি : বাংলাদেশ ব্যাংক
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঋণ কার্যক্রমে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামনে অনদায়ী ঋণের বকেয়া সময়সীমা অনুযায়ী খেলাপির স্তর এবং আনুপাতিকহারে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে কোনো ঋণ তিন মাস প‌রি‌শোধ না করলে খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হ‌বে। আর ঋণ মন্দ মান হলে ১০০ শতাংশ প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে হবে।বুধবার (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন এ নির্দেশনা কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ঋণের কিস্তি পরিশোধের নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলেই সেই ঋণ খেলাপি হবে। মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সীমা ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে হলে নিম্নমান, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সন্দেহজনক ও ১২ মাসের অধিক হলে মন্দ ঋণ হবে নিয়মিত ঋণের জন্য ১ শতাংশ এবং খেলাপির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তবে এককালীন পরিশোধ করে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণ নিয়মিত বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং চর্চার প্রচলিত রীতি ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে ঋণ শ্রেণিকরণ অনুযায়ী সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ কিংবা সমন্বয়ের জন্য নির্ধারিত দিনের পরবর্তী দিন থেকে ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য হবে। মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সীমা ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে হলে নিম্নমান, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সন্দেহজনক ও ১২ মাস বা এর অধিক হলে মন্দ বা ক্ষতিজনক মানে খেলাপি করতে হবে। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড ঋণের ক্ষেত্রে ঋণস্থিতির ১ শতাংশ, স্পেশাল মেনশন একাউন্টের ক্ষেত্রে ঋণস্থিতির ৫ শতাংশ জেনারেল প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

আর খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে নিম্নমান হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ৫০ শতাংশ ও মন্দ বা ক্ষতিজনক হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ১০০ শতাংশ স্পেসিফিক প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, যদি কোনো ঋণ বা অগ্রিম সাব-স্ট্যান্ডার্ড এবং সন্দেহজনক মানে খেলাপি করা হয়, তাহলে ওই ঋণের ওপর অর্জিত সুদ আয় হিসাবে জমা করার পরিবর্তে সুদের সাসপেন্স হিসাবে জমা করতে হবে। কোনো ঋণ অগ্রিম ক্ষতিজনক খেলাপি হলে একই হিসাবে সুদের চার্জ করা বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো বিশেষ কারণে কোনো ক্ষতিজনক মানে ঋণ অ্যাকাউন্টে কোনো সুদ চার্জ করা হলে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে তা সংরক্ষণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আয় হিসাবে জমা করা যাবে না। যদি খেলাপি ঋণ বা এর কিছু অংশ পুনরুদ্ধার হলে তা ঋণ সমন্বয় হিসাবে দেখানো যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর আগে গত জুন পর্যন্ত অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন ৬৭ হাজার ৫১৯টি মামলায় আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৯ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা আর রিট মামলায় ঝুলে থাকা অর্থের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। স্পেশাল মেনশন হিসাবে অনাদায়ী ঋণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।

সবমিলে ঘোষিত খেলাপির বাইরে অনাদায়ী ঋণ আরও প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরেও সার্টিফিকেট মামলায় ৪ হাজার কোটি এবং অডিটজনিত অপ্রদর্শিত খেলাপি কয়েক হাজার কোটি টাকা। নতুন নিয়মে খেলাপি এবং অনাদায়ী ঋণ দাঁড়াবে প্রায় ৬ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট বিতরণ করা ঋণ ১৬ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। সেই হিসাবে অনদায়ী ঋণ মোট ঋণের ৪১ দশমিক ৫০ শতাংশ।


 

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ১২০ ব‍্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব‍্যাংক হিসাব তলব

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ১২০ ব‍্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব‍্যাংক হিসাব তলব