ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ , ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি অপারেশন ক্লিন হার্টের পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজার টিভি স্ক্রিনে প্রচারিত হবে মুন অ্যালার্টের নিখোঁজ বার্তা ফেনীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  তেল আবিবগামী ফ্লাইটে ভারতীয় পাইলটকে ছুরিকাঘাত, মাঝ আকাশে ‘ডেথ ডাইভ’ জামিন পেলেন গাজী নজরুলের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনদের সাথে এমপি গাজী নজরুলের আপস-মীমাংসা ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা করছে ফ্যাসিবাদের দোসররা: ডিএনসিসি প্রশাসক মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা আজ এবার জেন-জির বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, আটক ৪ শতাধিক একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

ঋণ ৩ মাস প‌রি‌শোধ না করলেই খেলাপি : বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপলোড সময় : ২৮-১১-২০২৪ ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-১১-২০২৪ ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন
ঋণ ৩ মাস প‌রি‌শোধ না করলেই খেলাপি : বাংলাদেশ ব্যাংক
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঋণ কার্যক্রমে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামনে অনদায়ী ঋণের বকেয়া সময়সীমা অনুযায়ী খেলাপির স্তর এবং আনুপাতিকহারে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে কোনো ঋণ তিন মাস প‌রি‌শোধ না করলে খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হ‌বে। আর ঋণ মন্দ মান হলে ১০০ শতাংশ প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে হবে।বুধবার (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন এ নির্দেশনা কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ঋণের কিস্তি পরিশোধের নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলেই সেই ঋণ খেলাপি হবে। মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সীমা ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে হলে নিম্নমান, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সন্দেহজনক ও ১২ মাসের অধিক হলে মন্দ ঋণ হবে নিয়মিত ঋণের জন্য ১ শতাংশ এবং খেলাপির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তবে এককালীন পরিশোধ করে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণ নিয়মিত বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং চর্চার প্রচলিত রীতি ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে ঋণ শ্রেণিকরণ অনুযায়ী সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ কিংবা সমন্বয়ের জন্য নির্ধারিত দিনের পরবর্তী দিন থেকে ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য হবে। মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সীমা ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে হলে নিম্নমান, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সন্দেহজনক ও ১২ মাস বা এর অধিক হলে মন্দ বা ক্ষতিজনক মানে খেলাপি করতে হবে। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড ঋণের ক্ষেত্রে ঋণস্থিতির ১ শতাংশ, স্পেশাল মেনশন একাউন্টের ক্ষেত্রে ঋণস্থিতির ৫ শতাংশ জেনারেল প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

আর খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে নিম্নমান হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ৫০ শতাংশ ও মন্দ বা ক্ষতিজনক হলে প্রভিশনের ভিত্তির ওপর ১০০ শতাংশ স্পেসিফিক প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, যদি কোনো ঋণ বা অগ্রিম সাব-স্ট্যান্ডার্ড এবং সন্দেহজনক মানে খেলাপি করা হয়, তাহলে ওই ঋণের ওপর অর্জিত সুদ আয় হিসাবে জমা করার পরিবর্তে সুদের সাসপেন্স হিসাবে জমা করতে হবে। কোনো ঋণ অগ্রিম ক্ষতিজনক খেলাপি হলে একই হিসাবে সুদের চার্জ করা বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো বিশেষ কারণে কোনো ক্ষতিজনক মানে ঋণ অ্যাকাউন্টে কোনো সুদ চার্জ করা হলে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে তা সংরক্ষণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আয় হিসাবে জমা করা যাবে না। যদি খেলাপি ঋণ বা এর কিছু অংশ পুনরুদ্ধার হলে তা ঋণ সমন্বয় হিসাবে দেখানো যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর আগে গত জুন পর্যন্ত অর্থঋণ আদালতে বিচারাধীন ৬৭ হাজার ৫১৯টি মামলায় আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৯ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা আর রিট মামলায় ঝুলে থাকা অর্থের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। স্পেশাল মেনশন হিসাবে অনাদায়ী ঋণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।

সবমিলে ঘোষিত খেলাপির বাইরে অনাদায়ী ঋণ আরও প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরেও সার্টিফিকেট মামলায় ৪ হাজার কোটি এবং অডিটজনিত অপ্রদর্শিত খেলাপি কয়েক হাজার কোটি টাকা। নতুন নিয়মে খেলাপি এবং অনাদায়ী ঋণ দাঁড়াবে প্রায় ৬ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট বিতরণ করা ঋণ ১৬ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। সেই হিসাবে অনদায়ী ঋণ মোট ঋণের ৪১ দশমিক ৫০ শতাংশ।


 

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী