ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ , ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিলো সরকার গাঁজা সেবন না করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে এক সপ্তাহে ৪ জনের মৃত্যু, আহত আরও ৯ ‘টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমার মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি, করা হবে অস্ত্রোপচার পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু দেশের ৮ অঞ্চলে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, কমতে পারে ঢাকার গরম বাকি না দেওয়ায় দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫ জমি সংক্রান্ত বিরোধে বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কেটে ফেললো ছোট ভাই গৃহবধূকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে বালুচাপা পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার চাচা আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুর টেস্টে ৭৫ ওভারে পাকিস্তানের টার্গেট ২৬৮ রান

পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস আজ

  • আপলোড সময় : ২৯-১১-২০২৪ ০৯:৩০:০২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-১১-২০২৪ ০৯:৩০:০২ পূর্বাহ্ন
পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস আজ
আজ ২৯ নভেম্বর, পঞ্চগড় হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৭ মাস কঠিন লড়াইয়ের পর ১৯৭১ সালের এ দিনটিতে মিত্রবাহিনীর সহযোগীতায় মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে পঞ্চগড়কে মুক্ত করতে সক্ষম হয়। বঙ্গবন্ধুর ডাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বপ্ন বুকে লালন করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে এদেশের দামাল ছেলেরা। মুক্তিকামী বাঙ্গালীর সেই বীরত্বগাঁথা দিনগুলোর অন্যতম ২৯ নভেম্বর ১৯৭১। এ দিনটিতেই দেশের সর্ব উত্তরের জনপদ পঞ্চগড় অত্যাচারী পাকহানাদার মুক্ত হয়। দেশের মোট ৪টি মুক্ত অঞ্চলের মধ্যে পঞ্চগড় ছিলো অন্যতম। ১৯৭১ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত থাকলেও ১৭ই এপ্রিল সকালে এসে দখলে নেয় পাক হানাদার বাহিনীরা। তারা পঞ্চগড়ে প্রবেশ করে শহরে আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্বিচারে গনহত্যার খেলায় মেতে ওঠে। 

তবে, তা মুক্তিকামী বাঙ্গালীদের মনোবলকে ভাঙতে পারেনি বরং এতে হতাশ না হয়ে দৃঢ় মনোবলে লড়াই চালিয়ে যায় এ অঞ্চলের মুক্তিকামী মানুষেরা। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও মহকুমার ৬ নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত ছিলো পঞ্চগড়। এ সেক্টরটির বেসামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তৎকালীন প্রদেশিক সদস্য এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও এডভোকেট কমর উদ্দিন আহমেদ, এডভোকেট মোশারফ হোসেন চৌধুরী, কাজী হাবিবর রহমান, আব্দুল জব্বার এ সেক্টরটির নেতৃত্ব দেন। 

সেসময় এ এলাকায় ৭ টি কম্পানীর অধীনে ৪০টি মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট পাকবাহিনীর বিরদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভারতে থেকে প্রশিক্ষিত হয়ে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রবেশ করে অতর্কিত গেরিলা হামলা চালাতে থাকে তারা। তুমুল যুদ্ধের এক পর্যায়ে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাড়াশি আক্রমণে ২৯ নভেম্বরে পঞ্চগড় ছাড়তে বাধ্য হয় পাকবাহিনী। ৭ মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে ৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ নাম না জানা অসংখ্য নিরিহ মানুষের বিনিময়ে হানাদার মুক্ত হয় পঞ্চগড়।  

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু