ঢাকা , রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬ , ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে তাইওয়ানের বিমানবন্দর থেকে দুই ইউটিউবার গ্রেপ্তার যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ভোট হালাল হলে গণভোট হারাম কেন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ইরানি তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধে প্রার্থনা দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার ঈদ মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের পাশে সব সময় থাকবে সরকার: মন্ত্রী আরিফুল হক ৬০ বছরে প্রথমবার ঈদের সময় বন্ধ মসজিদুল আকসা, মুসল্লিদের ওপর হামলা বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, তবুও টানা তৃতীয় সপ্তাহে পতনের পথে ঈদে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিদের পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ঘিরে ভয়াবহ জালিয়াতি, হুমকিতে কোটি মানুষের অর্থ-পরিচয় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফাঁকা কমলাপুর, নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন ঈদে সর্বোচ্চ সতর্কতায় র‍্যাব, নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেনা ঢাকার ভিন্ন রূপ, পথে পথে নেমেছে নীরবতা

পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস আজ

  • আপলোড সময় : ২৯-১১-২০২৪ ০৯:৩০:০২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-১১-২০২৪ ০৯:৩০:০২ পূর্বাহ্ন
পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস আজ
আজ ২৯ নভেম্বর, পঞ্চগড় হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৭ মাস কঠিন লড়াইয়ের পর ১৯৭১ সালের এ দিনটিতে মিত্রবাহিনীর সহযোগীতায় মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে পঞ্চগড়কে মুক্ত করতে সক্ষম হয়। বঙ্গবন্ধুর ডাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বপ্ন বুকে লালন করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে এদেশের দামাল ছেলেরা। মুক্তিকামী বাঙ্গালীর সেই বীরত্বগাঁথা দিনগুলোর অন্যতম ২৯ নভেম্বর ১৯৭১। এ দিনটিতেই দেশের সর্ব উত্তরের জনপদ পঞ্চগড় অত্যাচারী পাকহানাদার মুক্ত হয়। দেশের মোট ৪টি মুক্ত অঞ্চলের মধ্যে পঞ্চগড় ছিলো অন্যতম। ১৯৭১ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত থাকলেও ১৭ই এপ্রিল সকালে এসে দখলে নেয় পাক হানাদার বাহিনীরা। তারা পঞ্চগড়ে প্রবেশ করে শহরে আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্বিচারে গনহত্যার খেলায় মেতে ওঠে। 

তবে, তা মুক্তিকামী বাঙ্গালীদের মনোবলকে ভাঙতে পারেনি বরং এতে হতাশ না হয়ে দৃঢ় মনোবলে লড়াই চালিয়ে যায় এ অঞ্চলের মুক্তিকামী মানুষেরা। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও মহকুমার ৬ নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত ছিলো পঞ্চগড়। এ সেক্টরটির বেসামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তৎকালীন প্রদেশিক সদস্য এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও এডভোকেট কমর উদ্দিন আহমেদ, এডভোকেট মোশারফ হোসেন চৌধুরী, কাজী হাবিবর রহমান, আব্দুল জব্বার এ সেক্টরটির নেতৃত্ব দেন। 

সেসময় এ এলাকায় ৭ টি কম্পানীর অধীনে ৪০টি মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট পাকবাহিনীর বিরদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভারতে থেকে প্রশিক্ষিত হয়ে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রবেশ করে অতর্কিত গেরিলা হামলা চালাতে থাকে তারা। তুমুল যুদ্ধের এক পর্যায়ে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাড়াশি আক্রমণে ২৯ নভেম্বরে পঞ্চগড় ছাড়তে বাধ্য হয় পাকবাহিনী। ৭ মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে ৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ নাম না জানা অসংখ্য নিরিহ মানুষের বিনিময়ে হানাদার মুক্ত হয় পঞ্চগড়।  

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে

সাগরে নৌকাডুবি, দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ তীরে আনলেন দুই ছেলে