ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ , ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ এক দিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী অভেনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিইয়ে নতুন গুজব সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, আপিল শুনানি ১৬ জুন

ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন

  • আপলোড সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার কালো অধ্যায় বেরিয়ে এসেছে। এতে বলা হয়, গত ১৫ বছরে অন্তত পৌনে ২ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। নামে-বেনামে ঋণ বের করা, বিদেশে অর্থপাচারসহ কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ব্যাংক খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নেমে গেছে শূন্যের কোঠায়, এখন যার চড়া মূল্য দিচ্ছে ব্যাংকসহ পুরো দেশ।

গতকাল রবিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত।

শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে যেসব ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল। আর এই প্রভাব ব্যাংকিং খাতের সংকটকে আরো গভীর করেছে। আলোচ্য সময়ে যে পরিমাণ ঋণ মন্দ বা বিপর্যস্ত হয়েছে, তা ১৪টি ঢাকা মেট্রো সিস্টেম অথবা ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণের খরচের সমতুল্য। ক্রমাগত ঋণখেলাপি ও হাই প্রফাইল কেলেঙ্কারি আর্থিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে এবং মূলধনকে উৎপাদনশীল খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, প্রবাসে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো গত ১০ বছরে ভিসার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে ১৩.৪ লাখ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। এই টাকা ঢাকা এমআরটি লাইন-৬ (উত্তরা থেকে মতিঝিল) নির্মাণ ব্যয়ের চার গুণ। সিন্ডিকেট এবং এই শোষণমূলক নিয়োগের কারণে অভিবাসী শ্রমিকরা ন্যায্য কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ কমেছে।

এদিকে প্রতিবেদন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমরা দেশের আর্থিক খাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছি। সামনে খেলাপি ঋণ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যাবে, এখন যা সাড়ে ১২ শতাংশ। আগামী মাসে তা ১৫ শতাংশ, এরপর ১৭ শতাংশ হয়ে ধীরে ধীরে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে। এই খেলাপি আগেই হয়ে আছে। এখন হিসাবে তা আসবে। এটা কমিয়ে আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি।’

কমেন্ট বক্স