ঢাকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ খাল খননে দুর্নীতির প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে সরকার: এ্যানি শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী সংসদে দেখে দেখে বক্তব্য দেওয়া ‘অ্যালাউড’ না: স্পিকার সামরিক বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ সেনার পরিচয় প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র সংসদের ভেতরে সমাধান না পেলে রাজপথে যেতে বাধ্য হবো ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ এক রাতের ইবাদত ৮৩ বছরের সওয়াব সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ ঈদের সময় স্বর্ণালংকার থানায় রাখতে পারবেন : ডিএমপি কমিশনার সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, রাডার ক্ষতিগ্রস্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে স্বামী–স্ত্রীর কর্মস্থল যাচাই হবে আইবাসে সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান, সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ডা. শফিকুর রহমান পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল নিয়ে বড় সুখবর অশ্রু আর ভালোবাসায় আলী শামখানিকে বিদায় ইরানের মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে রোববার গোয়ালঘর থেকে দেড় হাজার লিটার পেট্রল- অকটেন উদ্ধার

ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন

  • আপলোড সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার কালো অধ্যায় বেরিয়ে এসেছে। এতে বলা হয়, গত ১৫ বছরে অন্তত পৌনে ২ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। নামে-বেনামে ঋণ বের করা, বিদেশে অর্থপাচারসহ কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ব্যাংক খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নেমে গেছে শূন্যের কোঠায়, এখন যার চড়া মূল্য দিচ্ছে ব্যাংকসহ পুরো দেশ।

গতকাল রবিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত।

শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে যেসব ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল। আর এই প্রভাব ব্যাংকিং খাতের সংকটকে আরো গভীর করেছে। আলোচ্য সময়ে যে পরিমাণ ঋণ মন্দ বা বিপর্যস্ত হয়েছে, তা ১৪টি ঢাকা মেট্রো সিস্টেম অথবা ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণের খরচের সমতুল্য। ক্রমাগত ঋণখেলাপি ও হাই প্রফাইল কেলেঙ্কারি আর্থিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে এবং মূলধনকে উৎপাদনশীল খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, প্রবাসে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো গত ১০ বছরে ভিসার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে ১৩.৪ লাখ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। এই টাকা ঢাকা এমআরটি লাইন-৬ (উত্তরা থেকে মতিঝিল) নির্মাণ ব্যয়ের চার গুণ। সিন্ডিকেট এবং এই শোষণমূলক নিয়োগের কারণে অভিবাসী শ্রমিকরা ন্যায্য কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ কমেছে।

এদিকে প্রতিবেদন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমরা দেশের আর্থিক খাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছি। সামনে খেলাপি ঋণ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যাবে, এখন যা সাড়ে ১২ শতাংশ। আগামী মাসে তা ১৫ শতাংশ, এরপর ১৭ শতাংশ হয়ে ধীরে ধীরে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে। এই খেলাপি আগেই হয়ে আছে। এখন হিসাবে তা আসবে। এটা কমিয়ে আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি।’

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ