ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ , ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের জেলখানায় বসেই ডাকাতির পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ১৩ শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–হামাস সরাসরি আলোচনায় ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিখোঁজ! বাকিতে চা বিক্রি না করা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ ৪১৯ যাত্রী নিয়ে আজ শুরু হচ্ছে প্রথম হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন মাইলস্টোনের শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে প্রতারণা করেছে : জামায়াত আমির নতুন উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, নাম কী? সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য চড়া সবজির বাজার, বেশিরভাগের দাম ১০০ টাকার বেশি কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বছরে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া সম্ভব: ড. সাইমুম পারভেজ শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, জড়িত সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা পুলিশ সপ্তাহের বাজেটে কাটছাঁট, কমছে পদকও জ্বালানি নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী চীনা নাগরিককে কুপিয়ে মালামাল লুট, ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন প্রস্তাব ইরানের ২ ডিসি প্রত্যাহার

ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন

  • আপলোড সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-১২-২০২৪ ১২:০৯:৪২ অপরাহ্ন
ব্যাংক খাতে সৃষ্ট মন্দ ঋণ দিয়ে করা যেত ২৪টি পদ্মা সেতুঃ শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার কালো অধ্যায় বেরিয়ে এসেছে। এতে বলা হয়, গত ১৫ বছরে অন্তত পৌনে ২ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। নামে-বেনামে ঋণ বের করা, বিদেশে অর্থপাচারসহ কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ব্যাংক খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নেমে গেছে শূন্যের কোঠায়, এখন যার চড়া মূল্য দিচ্ছে ব্যাংকসহ পুরো দেশ।

গতকাল রবিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ মন্দ ঋণ তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত পরিমাণ দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব ছিল। কারণ বিগত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত।

শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে যেসব ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল। আর এই প্রভাব ব্যাংকিং খাতের সংকটকে আরো গভীর করেছে। আলোচ্য সময়ে যে পরিমাণ ঋণ মন্দ বা বিপর্যস্ত হয়েছে, তা ১৪টি ঢাকা মেট্রো সিস্টেম অথবা ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণের খরচের সমতুল্য। ক্রমাগত ঋণখেলাপি ও হাই প্রফাইল কেলেঙ্কারি আর্থিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে এবং মূলধনকে উৎপাদনশীল খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, প্রবাসে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো গত ১০ বছরে ভিসার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে ১৩.৪ লাখ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। এই টাকা ঢাকা এমআরটি লাইন-৬ (উত্তরা থেকে মতিঝিল) নির্মাণ ব্যয়ের চার গুণ। সিন্ডিকেট এবং এই শোষণমূলক নিয়োগের কারণে অভিবাসী শ্রমিকরা ন্যায্য কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ কমেছে।

এদিকে প্রতিবেদন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমরা দেশের আর্থিক খাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছি। সামনে খেলাপি ঋণ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যাবে, এখন যা সাড়ে ১২ শতাংশ। আগামী মাসে তা ১৫ শতাংশ, এরপর ১৭ শতাংশ হয়ে ধীরে ধীরে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে। এই খেলাপি আগেই হয়ে আছে। এখন হিসাবে তা আসবে। এটা কমিয়ে আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি।’

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের