ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ , ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় আমি না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যেত: ট্রাম্প ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় নতুন মোড়, ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ১৭ দিনে এলো ১৮২ কোটি ডলার সিলেটে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা দেখছিলেন জিনেদিন জিদান গণমাধ্যম কমিশন হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান : তথ্যমন্ত্রী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল

আসাদ সরকার হটানোর মাস্টারমাইন্ড, কে এই আল-জুলানি?

  • আপলোড সময় : ০৮-১২-২০২৪ ০৪:২৩:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১২-২০২৪ ০৪:২৩:০৩ অপরাহ্ন
আসাদ সরকার হটানোর মাস্টারমাইন্ড, কে এই আল-জুলানি?

আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি, যিনি হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতা, সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত। তার আসল নাম আহমেদ হুসাইন আল-শারা, এবং তিনি ১৯৮২ সালে সৌদি আরবের রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে তার পরিবার সিরিয়ায় ফিরে এসে দামেস্কের কাছে বসবাস শুরু করে।

২০০৩ সালে সিরিয়া থেকে ইরাকে গিয়ে তিনি আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে অংশ নেন। ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাকে গ্রেপ্তার করলেও ২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় তিনি মুক্তি পান এবং সেখানেই আল-কায়েদার শাখা আল-নুসরা ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।

২০১৩ সালে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আবু বকর আল-বাগদাদির সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পর জুলানি সিরিয়ায় আল-কায়েদার কার্যক্রম বাড়াতে থাকেন। ২০১৬ সালে বাশার আল-আসাদের সরকার আলেপ্পো নিয়ন্ত্রণে নেয়, যার পর বিদ্রোহীরা ইদলিবে চলে যায়। সেখানে জুলানি আল-নুসরা ফ্রন্টের নাম পরিবর্তন করে জাভাত ফাতেহ আল-শাম রাখেন এবং ২০১৭ সালে এইচটিএস গঠন করেন। এই গোষ্ঠী ইদলিবে প্রশাসন পরিচালনা শুরু করে এবং সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।

আল-জুলানির নেতৃত্বে সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেপ্পো দখল হয় এবং তিনি বাশার আল-আসাদ সরকারকে পিছু হটাতে বাধ্য করেন, যার ফলে তিনি সরকার পতনের প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত।


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ