ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী পরিবার পরিকল্পনার বৃহৎ ক্যাম্পেইন শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবছর রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেলেন ফ্রান্সের হেনরি কাগান ও জাপানের কেনসো সোয়াই একনেক সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল, প্রজ্ঞাপন জারি এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে ৩০ ব্যাংকের এটিএমসহ ডিজিটাল সেবা চালু দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও পাবে ৩৫ লাখ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অনুমোদনের অপেক্ষায় রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২

আসাদ সরকার হটানোর মাস্টারমাইন্ড, কে এই আল-জুলানি?

  • আপলোড সময় : ০৮-১২-২০২৪ ০৪:২৩:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১২-২০২৪ ০৪:২৩:০৩ অপরাহ্ন
আসাদ সরকার হটানোর মাস্টারমাইন্ড, কে এই আল-জুলানি?

আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি, যিনি হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতা, সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত। তার আসল নাম আহমেদ হুসাইন আল-শারা, এবং তিনি ১৯৮২ সালে সৌদি আরবের রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে তার পরিবার সিরিয়ায় ফিরে এসে দামেস্কের কাছে বসবাস শুরু করে।

২০০৩ সালে সিরিয়া থেকে ইরাকে গিয়ে তিনি আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে অংশ নেন। ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাকে গ্রেপ্তার করলেও ২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় তিনি মুক্তি পান এবং সেখানেই আল-কায়েদার শাখা আল-নুসরা ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।

২০১৩ সালে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আবু বকর আল-বাগদাদির সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পর জুলানি সিরিয়ায় আল-কায়েদার কার্যক্রম বাড়াতে থাকেন। ২০১৬ সালে বাশার আল-আসাদের সরকার আলেপ্পো নিয়ন্ত্রণে নেয়, যার পর বিদ্রোহীরা ইদলিবে চলে যায়। সেখানে জুলানি আল-নুসরা ফ্রন্টের নাম পরিবর্তন করে জাভাত ফাতেহ আল-শাম রাখেন এবং ২০১৭ সালে এইচটিএস গঠন করেন। এই গোষ্ঠী ইদলিবে প্রশাসন পরিচালনা শুরু করে এবং সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।

আল-জুলানির নেতৃত্বে সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেপ্পো দখল হয় এবং তিনি বাশার আল-আসাদ সরকারকে পিছু হটাতে বাধ্য করেন, যার ফলে তিনি সরকার পতনের প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত।


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রোহিঙ্গারা অধিকার চায়, দান নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গারা অধিকার চায়, দান নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী