ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ  ৩১ অক্টোবর এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা জাহেদ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫ হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি ২ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকে নতুন এমডি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই স্বৈরাচারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন: রিজভী আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজিবি মোতায়েন সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পুলিশের ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি, যোগদান না করলে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন

পোশাক খাতে কমছে নারী শ্রমিক, প্রভাব প্রযুক্তির

  • আপলোড সময় : ০৯-১২-২০২৪ ০৯:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-১২-২০২৪ ০৯:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন
পোশাক খাতে কমছে নারী শ্রমিক, প্রভাব প্রযুক্তির
দেশের তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিকদের অংশগ্রহণ কমছে। স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি গ্রহণ ও অনান্য খাতের তুলনায় সুযোগ-সুবিধা কম থাকায় এই খাতে তরুণ প্রজন্মের আগ্রহও কমে গেছে। ‘বাংলাদেশে আরএমজি শিল্পের প্রযুক্তির আপগ্রেডেশন’ শীর্ষক এই সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রযুক্তির প্রভাবে পোশাক খাতে কমছে নারী শ্রমিকসমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে এ খাতে নারী শ্রমিক ৫৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০১৪ সালে ৫৬ শতাংশ ছিল।দেশে পোশাকশিল্পের শুরুতে নারী পোশাক শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ৮০ শতাংশের বেশি এবং এই ধারা বহু বছর ধরে অব্যাহত ছিল।গতকাল রবিবার ঢাকায় লেক শোর হোটেলে অনুষ্ঠিত উন্নয়নবিষয়ক বার্ষিক বিআইডিএস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক কাজী ইকবাল এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন। ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদ জহির সেশনটি পরিচালনা করেন, যেখানে চারটি ভিন্ন গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, কারখানার শ্রমিকের সংখ্যা, মেশিন অপারেটর ও হেল্পারও কমেছে।

এতে দেখা যাচ্ছে, গত ১০ বছরে তৈরি পোশাক খাতের বেশির ভাগ উপখাতে নারীর অংশগ্রহণ কমেছে। এ খাতের আটটি উপখাতের মধ্যে ছয়টিতে নারীর অংশগ্রহণ কমেছে; বেড়েছে মাত্র দুটিতে।টেকনোলজি আপগ্রেডেশন অব দ্য আরএমজি ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ শীর্ষক উপস্থাপনায় বিআইডিএসের গবেষক কাজী ইকবাল দেখিয়েছেন, গত ১০ বছরে তৈরি পোশাকের উপখাতগুলোর মধ্যে শুধু হোম টেক্সটাইল ও ওভেন খাতে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। বাকি ছয়টি খাত অর্থাৎ নিট লনজারি, ডেনিম ট্রাউজার, সোয়েটার, টি-শার্ট, জ্যাকেট, ওভেন ট্রাউজার ও ওভেন শার্টে নারী শ্রমিকের অংশগ্রহণ কমেছে সবচেয়ে বেশি কমেছে জ্যাকেটে। এই উপখাতে ২০১৪ সালে নারী শমিকের অংশগ্রহণ ছিল ৬৩.১৩ শতাংশ; ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯.২২ শতাংশ।

উপস্থাপনায় বলা হয়, তৈরি পোশাক খাত গত ১০ বছরে অনেক বেশি পুঁজিঘন হয়েছে। সেই সঙ্গে শমিকপ্রতি যন্ত্রের সংখ্যা কমেছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে মেশিন অপারেটর ও হেলপারদের ওপর সামগ্রিকভাবে তৈরি পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বেড়েছে।
নারী শমিকদের সংখ্যা হ্রাসের সঙ্গে যে আরেকটি পরিবর্তন গত ১০ বছরে হয়েছে, তা হলো উৎপাদন খাতে প্রযুক্তি জানা মানুষের কর্মসংস্থান বেড়েছে। এই খাতে বিএসসি ও ডিপ্লোমা টেক্সটাইল প্রকৌশলী বেড়েছে। কিন্তু টেক্সটাইল প্রকৌশলে নারীর সংখ্যা খুবই নগণ্য। এ ছাড়া বিএসসি শিল্প প্রকৌশলী ও ডিপ্লোমা শিল্প প্রকৌশলীর সংখ্যা বেড়েছে।

ডিপ্লোমা শিল্প প্রকৌশলীর পেশা তুলনামূলকভাবে নতুন। তবে এই খাতে সাম্প্রতিক কয়েক বছরে নারীরা এসেছেন। এই খাত গত ১০ বছরে অনেক বড় হয়েছে বলে নন-টেকনিক্যাল মানুষের সংখ্যাও দ্বিগুণ হয়েছে। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য।প্রশ্নোত্তর পর্বে বিআইডিএসের মহাপরিচালক বিনায়ক সেন বলেন, ‘এই যে প্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে নারীর শমশক্তিতে অংশগ্রহণ কমে যাচ্ছে, এর সামাজিক প্রভাব আছে। বিষয়টি কি একেবারে বাজারের হাতে দেওয়া হবে, নাকি এখানে নারীদের অংশগ্রহণের হার বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে?’এক প্রশ্নের উত্তরে কাজী ইকবাল বলেন, ‘নারীরা কোথায় কোথায় প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কারণে সমস্যার মুখে পড়ছেন, তা চিহ্নিত করে তাদের নতুন দক্ষতা শেখানো দরকার। তাহলে নারীদের এই ঝরে পড়ার হার রোধ করা সম্ভব।’
এ প্রসঙ্গে বিআইডিএসের গবেষক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, দেশে এই মুহূর্তে প্রযুক্তির কারণে বড় ধরনের ছাঁটাই হচ্ছে, তা নয়। তিনি চীনের একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘চীনে প্রযুক্তির কারণে ৩ শতাংশ ছাঁটাই হলেও ২ শতাংশ নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সবখানেই থাকবে। ফলে দরকার হচ্ছে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা বা তাদের নতুন দক্ষতা শেখানো এবং প্রয়োজনবোধে নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া।’

প্রযুক্তিগত উন্নয়নে কত মানুষের কাজ যাবে :সকালের অধিবেশনে আরেকটি গবেষণাপত্র ছিল উৎপাদন খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রভাব নিয়ে। উপস্থাপনা করেন বিআইডিএসের গবেষণা সহযোগী ফারহিন ইসলাম। উৎপাদন খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়লে কর্মসংস্থানে কী প্রভাব পড়বে, তার একটি তুলনামূলক চিত্র দেখান তিনি।

ফারহিন ইসলাম বলেন, ‘প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়লে বাংলাদেশের উৎপাদন খাতে ১৮ লাখ কর্মীর কাজ চলে যেতে পারে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে। এই খাতে ১০ লাখ মানুষের কাজ চলে যেতে পারে। শুধু তৈরি পোশাক খাত নয়, কোন খাতে ও কোন এলাকায় কত মানুষের কাজ চলে যেতে পারে।

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ