ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুলশানে বার ড্যান্সারের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষিত তরুণদের ওপর সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক কিছুদিন দেরি করে হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের প্রায়োরিটি: আসিফ মাহমুদ বিয়ে করলেই ১৬ লাখ টাকা উপহার, সন্তান হলে মিলবে ৩২ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি সন্দেহে শ্রমিক হত্যা, বিক্ষোভ মুর্শিদাবাদে বিয়ে করছেন ধানুশ-ম্রুণাল! ২৬৮ আসনে এককভাবে লড়বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লায় গুলি করে দুজনকে হত্যা প্রেমিকার জন্মদিনে ২৬ কিলোমিটার দৌড়ালেন প্রেমিক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে পলাতক প্রধান শিক্ষক, মাদরাসায় আগুন ভাইরাল শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট চুরির দায়ে পুকুরে ২০ ডুব চোরের, শাস্তির পর মানবিকতাও দেখাল বরিশালবাসী হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না, তদন্তে যা জানা গেলো মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ উচ্ছ্বাস নিয়ে জীবনের প্রথমবার স্কুলে জুনায়েদ, বাড়ি ফিরলো নিথর দেহে

৪০ বছর ধরে আদালতের বারান্দায় ঘোরা সেই হরেনকে ২০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ

  • আপলোড সময় : ০৯-১২-২০২৪ ০৩:৩০:৫৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-১২-২০২৪ ০৩:৩০:৫৬ অপরাহ্ন
৪০ বছর ধরে আদালতের বারান্দায় ঘোরা সেই হরেনকে ২০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
৪০ বছর ধরে আদালতের বারান্দায় ঘোরা সেই হরেন চন্দ্র অবশেষে মামলায় জয়ী হয়েছেন। প্রমাণিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভুয়া মামলা করেছিল। এ কারণে বৃদ্ধ হরেন চন্দ্র নাথকে মামলা পরিচালনার খরচ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।সোমবার (৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। আগামী ৩ মাসের মধ্যে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। আদালতে হরেন চন্দ্র নাথের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ৪০ বছর আগে ব্যাংকের ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে হরেন্দ্রসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে। তবে মামলায় খালাস পেলেও সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপিল করে মামলাটি জিইয়ে রাখে। এভাবে চার দশক কেটে গেলেও আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

বিএ পাস করে ১৯৭৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর ক্যাশিয়ার-কাম ক্লার্ক পদে সোনালী ব্যাংকে ঢাকার একটি শাখায় যোগদান করেন। তিন বছর পর পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়র ক্যাশিয়ার-কাম ক্লার্ক হন। এর পর তাকে যাত্রাবাড়ী শাখায় বদলি করা হয়। চাকরিরত অবস্থায় রেমিট্যান্স সংক্রান্ত ১৬ লাখ ১৬ হাজার ১০০ টাকা যাত্রাবাড়ী শাখা থেকে লোকাল অফিসে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা সিল-স্বাক্ষরসহ লিখিতভাবে সমুদয় অর্থ বুঝে নেন। এর কিছুদিন পর ১৯৮৫ সালে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে ওই টাকা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। তহবিল তছরুপের অভিযোগে ১৯৮৫ সালের শেষের দিকে হরেন্দ্রসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পরে ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসে তাদের সবাইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এরপর গ্রাহকের টাকা জমা না দেয়ায় অপর একটি মামলায় ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে স্থাপিত ওই কর্মকর্তাকে সাত বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ১৯৯০ সালে হরেন্দ্রনাথ জেল খেটে বের হন।এর আগে ১৯৮৫ সালের ২৯ জুলাই হরেন্দ্রনাথসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার বিশেষ আদালতে ফৌজদারি মামলা করে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। বিচারে ১৯৮৬ সালের ১৫ নভেম্বর বেকসুর খালাস পান হরেন্দ্রনাথসহ সবাই।মামলায় পরাজিত হয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গোপনে ১৯৮৮ সালে হরেন্দ্রসহ সবার বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। সেই মামলায় একতরফা রায়ে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে সমুদয় অর্থ ফেরত দেয়ার আদেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে আবেদন (মিস কেস) করেন হরেন্দ্রনাথ। ১৯৯২ সালের ১৯ আগস্ট ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ আদালত আপিল গ্রহণ করেন; একই সঙ্গে বিচারিক আদালতের আদেশ বাতিল করেন।

এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংক ২০১৯ সালে হাইকোর্টে আপিল করে। ২০২২ সালের ২৯ আগস্ট এ আপিল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল

দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল