MYTV Live

দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট অর্থাৎ আগামী ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটে কিছু পণ্যে আয়কর, শুল্ক, ভ্যাট অথবা সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

ফল: এখন ফল আমদানিতে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এটি বাড়িয়ে ২০ শতাংশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে আমদানি করা ফলের দাম বাড়তে পারে।

জুস: নতুন বাজেটে আমদানি করা জুসের ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

মদ-বিয়ার: এ জাতীয় পণ্য আমদানিতে বাজেটে ২০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হয়েছে। বিধায় আগামীতে মদ-বিয়ারের দাম বাড়তে পারে।

সিগারেট, গুল ও জর্দা: অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য গুল, জর্দার দাম বাড়তে পারে।

টাইলস ও স্যানিটারিওয়্যার: এসব পণ্যের পরিবেশক ও ডিলারদের নিট কমিশনের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। তাই টাইলস ও স্যানিটারিওয়্যারের দাম কিছুটা বাড়তে পারে।

থিম পার্কের রাইড: এমিউজমেন্ট পার্ক স্থাপনের রাইডসামগ্রীর ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তাই শিশুদের বিনোদনকেন্দ্র স্থাপনের খরচ বাড়তে পারে।

প্রসাধনী: প্রসাধনী আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ সব পণ্যের দাম বাড়বে।

কিচেন ওয়্যার: কিচেন ওয়্যার পণ্য আমদানিতে বাড়তি ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করায় এ পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

দাম বাড়তে পারে আরও যেসব পণ্যের

এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে গাজর, মাশরুম, কাঁচামরিচ, টমেটো, কমলা ও ক্যাপসিকাম-এর ন্যূনতম শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

প্রস্তাবিত এই বাজেটে শিল্প লবণ আমদানির ক্ষেত্রেও বিদ্যামান শুল্ক হার বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রক্রিয়াজাত করা মাংস আমদানিতে শুল্ক হার বৃদ্ধি ও নূন্যতম শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ দু’টি পণ্যের দামও বাড়তে পারে।

Related Articles

Stay Connected

22,878FansLike
3,135FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles