MYTV Live

ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি হবে না, আশা সড়ক সচিবের

ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

রোববার সচিবালয়ে প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপে নির্মাণাধীন ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রথম দফার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এ কথা জানান।

ঢাকা-গাজীপুর ও ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে এরইমধ্যে যানজট শুরু হয়েছে। ভোগান্তি কমাতে সরকারের কী পদক্ষেপ রয়েছে- এ বিষয়ে সচিব বলেন, ‘এ করিডোরে অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখেছি এখানে যানজট হয়।

আব্দুল্লাহপুর থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা, আবার জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল- এই করিডোরেও যানজটের অভিজ্ঞতা আছে।

তিনি বলেন, ‘পরিবহন মালিকদের কিছু সুপারিশ ছিল, আমরা সেগুলো বিবেচনায় নিয়েছি। যানজট যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে, ডেডলক যাতে না থাকে। এখনও কিছু কিছু জায়গায় কাজ অসম্পন্ন রয়েছে। আমরা সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি। আমি আবারও সেখানে যাবো। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ঠিকভাবে হলে সেখানে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।’

সড়ক সচিব বলেন, ‘এলেঙ্গা মোড়ে ইন্টারসেকশনগুলো চওড়া করে দিচ্ছি। বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যে গাড়িগুলো আসবে  এদিকে তারাকান্দা, মধুপুর, ঘাটাইল দিয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহে যাওয়ার একটা রাস্তা আছে। হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে, ময়মনসিংহ-জামালপুরের গাড়িগুলো সেদিক দিয়ে ডাইভার্ট করার একটা অপশন আমরা রেখেছি।’

সিরাজগঞ্জের নলকায় আরেকটি সেতু আগামীকাল খুলে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব স্থান সমস্যাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত ছিল, যানজটপ্রবণ ছিল, সেগুলো আমাদের পক্ষ থেকে অ্যাড্রেস করেছি। কাজগুলো আরও পরে শেষ করার কথা ছিল, কিন্তু ঈদের কথা বিবেচনা করে আগেই শেষ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেশি থাকবে। সেটা বিবেচনায় রেখে আমাদের অ্যারেঞ্জমেন্ট আছে। আমাদের কন্ট্রোল রুম আছে, সেটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আমরা সিসিটিভি ক্যামেরাও বসাচ্ছি। আমরা কন্ট্রোল রুম থেকে মনিটরিং করবো। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি রয়েছে।’

‘যেটা আশঙ্কা করা হচ্ছে, আশাকরি যানজট অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। ঘরে ফিরতে আমাদের ভোগান্তি হবে না।’

কোনো টার্মিনাল থেকে ত্রুটিপূর্ণ বাস ছাড়ে না দাবি করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একসঙ্গে যখন গার্মেন্টস ছুটি হয়, তখন একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন টঙ্গীর কোন মোড় থেকে (ত্রুটিপূর্ণ) গাড়ি ছাড়ছে, ট্রাকে করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কঠোর থাকতে পারে না, মানবিক একটা অ্যাপিলও সৃষ্টি হয়ে যায়। এটাই বাস্তবতা।’

Related Articles

Stay Connected

22,878FansLike
3,313FollowersFollow
19,600SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles