MYTV Live

নেপালে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

নেপালে প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনার একদিন পর দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হলো ফ্লাইট রেকর্ডার বা ব্ল্যাক বক্স। এটি প্লেনে ব্যবহৃত একটি ইলেকট্রনিক রেকর্ডিং ডিভাইস, যাতে সমস্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং দুর্ঘটনার তদন্তে ব্যবহৃত হয়।

সোমবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর কাঠমান্ডু পোস্টকে নিশ্চিত করেন, ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উদ্ধারকারী দলের সমন্বয় কমিটির সদস্য।

তিনি বলেন, প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের কর্মকর্তা টেকনাথ সিতৌলা বলেন, দুটি রেকর্ডারই ভালো অবস্থায় ছিলো। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট ও ক্রুদের মধ্যে কথোপকথন শোনার জন্য এগুলো তদন্তকারীদের কাছে পাঠানো হবে।

এদিকে নেপালের স্থানীয় পত্রিকা ইকান্তিপুর তাদের এক প্রতিবেদন বলছে, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির রানওয়ে-৩০এ অবতরণের কথা ছিলো। একই পাইলট ও ক্রু সমেত বিমানটি একই রানওয়েতে ওই দিন সকালবেলা একবার অবতরণ করেছিলো। তবে, শেষ মুহূর্তে বিমানটি রানওয়ে-১২তে অবতরণের অনুমতি চায়।

অনুমতি দেয়া হলেও শেষমেশ আর অবতরণ করতে পারেনি বিমানটি। তবে শেষ মুহূর্তে ল্যান্ডিং প্যাড বদলের দরকার কেন হয়েছিল তা নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

বিমানটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টন কামাল কে সি। যিনি রোববারই আরেকটি ফ্লাইট নিয়ে কাঠমান্ডু থেকে পোখারায় গেছেন।

ইয়েতি এয়ারলাইন্স বলছে, সম্প্রতি চালু হওয়া পোখারা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে এর আগে পরীক্ষামূলক উড্ডয়নও করেছেন তিনি।

কর্মকর্তারা বলছেন, অবতরণের বিষয়ে বিমানবন্দর থেকে অনুমতিও পেয়েছিলেন পাইলট। তখনও পর্যন্ত কোনো সমস্যা ছিল না। ১০ সেকেন্ডের মধ্যে উড়োজাহাজটির রানওয়েতে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

উল্লেখ্য, রোববার ৭২ জন আরোহী নিয়ে ইয়েতি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ পোখারায় বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

কাউকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। দেশটির পুলিশও বলছে, কোনো আরোহীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম।

Related Articles

Stay Connected

22,878FansLike
3,682FollowersFollow
20,500SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles