ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬ , ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেষবার গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়া খালেদা জিয়ার জানাজা কখন, কে পড়াবেন? পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা আসছেন রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করলো বিএনপি খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ঢাকামুখী বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার থেকে যে পথে নেওয়া হবে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকে কাতর পুরো জাতি কান্নার রোল নয়াপল্টনে, চলছে কোরআন খতম হিরো আলম যোগ দেওয়ায় দল থেকে বেরিয়ে গেলেন সাধনা রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা, যা জানাল অধিদপ্তর তীব্র শীতের মধ্যেই বৃষ্টির পূর্বাভাস খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমি শোকাহত: মমতা ব্যানার্জি মায়ের মৃ’ত্যু’তে ফেসবুকে তারেক রহমানের আবেগঘন পোষ্ট প্রথমবারের মতো অপারেশন সিঁদুরে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করল পাকিস্তান যদি রাস্তায় কাগজ বা ময়লা পড়ে থাকে আমরা সরিয়ে দেবো: তারেক রহমান কারাবন্দি বুশরা বিবিকে নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ শাহবাগে যানচলাচল বন্ধ, ডাইভারশনে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির হয়ে লড়বেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকারের আবু হানিফ ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন জামায়াত আমির

হাসান আরিফের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক

  • আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৪ ১০:১১:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-১২-২০২৪ ১০:১১:১৪ পূর্বাহ্ন
হাসান আরিফের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
অন্তর্বর্তী সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ. এফ. হাসান আরিফের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।তিনি বলেন, হাসান আরিফের মৃত্যুতে দেশ আইনের জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হারালো।

শোকবার্তায় হাসান আরিফের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।হাসান আরিফ এর আগে ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এছাড়াও তিনি ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

হাসান আরিফ ১৯৪১ সালের ১০ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ সালের তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময় তিনি ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং সেই সময় থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছিলেন।

কমেন্ট বক্স