ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ , ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৫৪১৮ যাত্রী দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ গ্রামীন কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডওয়ার্ড রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ অবস্থানে অর্থনীতি ও পরিবেশে চাপ বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন সারাদেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা ২১ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরু ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের সব ফ্লাইট বাতিল করল ইউএস-বাংলা কন্যাশিশু কোনো বোঝা নয়, অফুরন্ত সম্ভাবনার উৎস: রাষ্ট্রপতি জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল, আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁই রূপপুরে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদে নিহতদের লাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদে‌শি নিহত, আইসিইউতে ৪ ন্যাশনাল ব্যাংকে আবেদন শুরু, টাকা তোলা যাবে ১৫ অক্টোবর থেকে নভেম্বরের শেষের দিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলা, বাতিল ঢাকার ৯ ফ্লাইট সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, তীব্র প্রতিবাদ জানাল ঢাকা

কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যে কর্মপরিবেশ যে প্রভাব গুরুত্বপুর্ন

  • আপলোড সময় : ২৩-১২-২০২৪ ০২:১০:১৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-১২-২০২৪ ০২:১০:১৪ অপরাহ্ন
কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যে কর্মপরিবেশ যে প্রভাব গুরুত্বপুর্ন
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পরিবেশের ভূমিকা রয়েছে এমনটাই বলেন মনোবিদরা। একাধিক গবেষণা করেছেন তারা এ বিষয়ে। পরিবেশ বলতে কেবল ঘরের কথা বলা হয় না বরং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন গবেষণায় মনোবিদরা এমনটাই জানিয়েছেন। কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যে কীভাবে ভূমিকা রাখে এমনটাই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।

 মানসিক স্বাস্থ্য: বর্তমান সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে,অনেকেই আমরা ভালোভাবে জানি না মানসিক স্বাস্থ্য কী।মানসিক স্বাস্থ্য কি এটা জানা জরুরি। বিষয়টা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে অনেক কিছু সহজ হয়ে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, একজন মানুষকে আমরা তখনই সুস্থ বলবো যখন সে সামাজিক, শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে।তিনি আরও বলেন, সুস্থ বলতে এই তিনটি শর্ত মেনে ভালো থাকা। কেবল শারীরিকভাবে সুস্থ-সবল থাকাই ভালো থাকা নয়। যখন একজন মানুষ তার স্ট্রেস, মুড সুইয়িং, এবং এনজাইটি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে তাহলে আমরা ধরে নিবো সে মানসিকভাবে সুস্থ আছে। কিন্তু যখন সে বুঝতে পারবে যে তার সমস্যা হচ্ছে তখন বুঝতে হবে সে মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞরা  বলেন যারা চাকরি করেন তাদের দিনের বেশিরভাগ সময় অফিসেই কাটে। আমাদের পরিবেশ অনেক সময় মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই খুব স্বাভাবিকভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিবেশের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে। এই বিষয়ক গুরুত্ব তুলে ধরতেই এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে দরকার একটি সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ। কর্মক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকলে যেমন মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে না। আর যখন মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তখন কর্মদক্ষতা বিঘ্নিত হয়। যখন একজন কর্মী মানসিকভাবে ঠিক থাকেন না তখন সে ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন না। সে কারণে কাজের পরিবেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যসহায়ক পরিবেশ: বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের অনেক অফিস কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। এমনকি কিছু প্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলরও নিয়োগ দেয়া হয় বলে। তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য-সহায়ক পরিবেশ দরকার। এ জন্য ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যা করা যেতে পারে:- কর্মীদের সবার মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। কর্মীদের সহযোগিতায় কাজের পরিবেশ যেমন উন্নত হয় সেই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব পরে। কর্মীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার গুরুত্ব বুঝতে হবে। খারাপ ব্যবহারের ফলে অনেক সময় কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যে খুব বাজে প্রভাব পরে যার ফলে অনেক কর্মীদের ডিপরেশনে মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তাই ম্যানেজমেন্টকে এই বিষয়টি গুরুও দেয়া জরুরি। নিয়মিত কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করে উন্নতির জন্য গঠনমূলক পরামর্শ দেয়া। এতে তারা উৎসাহী হবে এবং কাজে স্বস্তি পাবে যেটা দারুণ উপকারী।

কর্মীদের প্রাপ্য ছুটি ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা। কর্মীদের প্রাপ্য ছুটি নেয়ার সুযোগও থাকতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনছে। এমনকি কিছু দেশে সপ্তাহে ছুটি তিন দিও করা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ ভালো রাখতে এই বিষয়টির দিকেও নজর দিতে হবে। কর্মস্থানে কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টির দিকেও নজর দিতে হবে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের ক্ষেত্রে। নিরাপত্তাহীনতা কর্মীর মানসিক স্বাস্থ্য প্রভাবিত করে। এই সমস্যা  বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও চাপজনিত রোগের দিকে নিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কাজের ক্ষেত্রেও প্রভাব দেখা যায়। প্রত্যেকের মানসিক চাপ মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। সে জন্য কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ মোকাবিলার বিষয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা নিয়োগ করা যেতে পারে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী