ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

৭৫ বছর পর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া ডিক্সনের কাছে ‘ক্রিসমাস মিরাকল’

  • আপলোড সময় : ২৬-১২-২০২৪ ০৯:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-১২-২০২৪ ০৯:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
৭৫ বছর পর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া ডিক্সনের কাছে ‘ক্রিসমাস মিরাকল’
জীবনের বেশির ভাগ সময় নিজেকে এক হতভাগ্য মানুষ ভেবে এসেছেন ডিক্সন হ্যান্ডশো হাতশা। জন্মের পরপরই তাঁকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল, জানতেন না আসল বাবা-মার পরিচয়। সাত দশকেরও বেশি সময় পর সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, তাঁর বেশ কয়েকজন ভাইবোন রয়েছে। বড়দিনের ঠিক আগে ৭৫ বছর বয়সী ডিক্সন তাঁর জীবিত ভাইবোনদের সঙ্গে দেখাও করেছেন।
বুধবার এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, বড়দিনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় বসবাসকারী ডিক্সন নিউইয়র্কের রোচেস্টারে উড়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি তাঁর জীবিত ভাই-বোনদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করেন।ডিক্সন বলেন, ‘আমি সারা জীবন কল্পনা করেছি, কোথাও আমার ভাইবোন রয়েছে। এটা আমার ক্রিসমাস মিরাকল!’

গত শনিবার ৫০ জনেরও বেশি আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন ডিক্সন। অথচ গত আগস্টের আগেও তাঁদের অস্তিত্ব সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না।দত্তক নেওয়া বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় এবং নিজের কোনো সন্তান না থাকায় খুব নিঃসঙ্গ ছিলেন ডিক্সন। তাই হঠাৎ করেই এত আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়া তাঁর কাছে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।ডিক্সন বলেন, ‘দেখা হওয়া মাত্রই আমাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এটা অসাধারণ ছিল। আমি কখনো এমন নিঃশর্ত ভালোবাসার অভিজ্ঞতা পাইনি, যেমনটা আমার নতুন পরিবারের কাছ থেকে পেয়েছি।’

জানা যায়, ১৯৪৯ সালে নিউইয়র্কের বাফেলোতে জন্ম নেওয়া ডিক্সনকে তিন মাস বয়সে দত্তক নেওয়া হয়েছিল। তাঁর জীবনের এই গল্প সম্পর্কে তাঁর দত্তক বাবা-মা সব সময়ই সৎ ছিলেন।তারপরও বাবা-মাকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়ে ডিক্সন বলেন, ‘আমি সব সময় তাদের খুঁজতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নিউইয়র্ক রাজ্য দত্তকের আগে জন্ম সনদগুলো সিল করে রেখেছিল। তাই তাঁদের খুঁজে বের করা অসম্ভব ছিল।’সিএনএন জানিয়েছে, ২০১৯ সালে একটি নতুন আইন পাস হওয়ার পর দত্তক নেওয়া নিউইয়র্কবাসীদের জন্য আসল জন্ম সনদ উন্মুক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্টে ডিক্সন তাঁর আসল জন্ম সনদ হাতে পান। তখনই তিনি তাঁর পিতার নাম রবার্ট বাড রোমিগ বলে জানতে পারেন। এ পর্যায়ে প্রথমেই তিনি তাঁর বাবার নামটি দিয়ে গুগলে সার্চ করেন। এতে বাবার ছবি সহ একটি মৃত্যুবার্ষিকীর বিজ্ঞাপন সামনে আসে তাঁর।

নিজের সঙ্গে বাবার চেহারার সাদৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন ডিক্সন। বিজ্ঞাপন থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর আরও ভাই এবং এক বোন রয়েছে।ডিক্সন জানেন না কেন তাকে দত্তক দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পিতা কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থী ছিলেন, আর তাঁর মা ছিলেন সেই বিভাগের সেক্রেটারি।

জীবিত ভাইবোনদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য ডিক্সন প্রথমেই গ্যারি নামে একজনকে ফোন দেন। সেই গ্যারি ছিলেন আবার ডিক্সনের পিতার দত্তক নেওয়া ছেলে।ফোনকলের মুহূর্তটিতে গ্যারি কাজের বিরতিতে ছিলেন। তিনি বলেন—“আমি ফোন তুললাম আর সে বলল, ‘আমার নাম ডিক্সন। আপনি কি গ্যারি রোমিগ?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ সে বলল, ‘আমি আপনার ভাই।’ আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। ”গ্যারি পরে অভূতপূর্ব ওই খবরটি ফোন করে অন্য সব ভাই-বোনকে জানান এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সবার মধ্যে গভীর সম্পর্ক আরও মজবুত হতে শুরু করে।

দেখা হলেও ভাই-বোনদের সঙ্গে একসঙ্গে বড়দিন কাটাতে পারেননি ডিক্সন। ফিরে এসেছেন নিজ বাড়িতে। তবে পরিকল্পনা করেছেন, আসন্ন গ্রীষ্মেই তাঁরা একসঙ্গে ক্যাম্পিংয়ে যাবেন। এ জন্য ইতিমধ্যেই তাঁরা একটি গ্রুপ চ্যাট শুরু করে দিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা