ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ক্রিসমাস উৎসবের মাঝেও গাজা উপত্যকায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলা

  • আপলোড সময় : ২৬-১২-২০২৪ ১০:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-১২-২০২৪ ১০:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন
ক্রিসমাস উৎসবের মাঝেও গাজা উপত্যকায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলা
ক্রিসমাস উৎসবের মধ্যেও গাজা উপত্যকায় বন্ধ নেই ইসরাইলি হামলা। গাজার এই অন্ধকার যুগের শেষ হবে এমনটাই আশা জেরুজালেমের আর্চবিশপের। যুদ্ধ বিরতির চুক্তিও আটকে আছে শুধু আলোচনায়। এরইমধ্যে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে লেবানন। এদিকে বড়দিনের শুরুতেই রাজধানী তেল আবিবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা।

পুরো বিশ্ব যখন ক্রিসমাস বা বড়দিনের উৎসবে মাতোয়ারা তখন গাজা উপত্যকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরাইলিরা। গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস ও অধিকৃত পশ্চিমতীরে একযোগে হামলা চালায় তারা। গ্লোবাল ফুড ক্রাইসিস মনিটর বলছে, ৭৫ হাজার ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়েছে। অপুষ্টিতে ভুগছে ৩০ শতাংশ মানুষ। বড়দিনের আয়োজনেও তাদের দিন কাটছে অনাহারে।

যিশুর জন্মস্থান বেথলেহেম পরিদর্শনে এসে জেরুজালেমের আর্চবিশপ জানান, গাজা উপত্যকায় সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। এমন বিপর্যয়ের মধ্যেও তিনি আশার বার্তা শুনিয়েছেন। তার মতে, গাজার অন্ধকার সময়ের শেষ হবে খুব শিগগিরই। যুদ্ধ শুরু পর থেকেই উৎসবের রঙ নেই পবিত্র ভূমি হিসেবে পরিচিত জেরুজালেমে।

জেরুজালেমের আর্চবিশপ কার্ডিনাল পিয়েরবাতিস্তা পিজাবাল্লা বলেন, 'পবিত্র ভূমিতে যুদ্ধ, ঘৃণা ও বিভাজন নিয়ে সবাই কথা বলছে। বড়দিনে বিশ্ববাসীর প্রতি আমাদের বার্তা হচ্ছে মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ধরে রাখা। বড়দিনে আমাদের চাওয়া মানুষের মধ্যে ঐক্যে গড়া। সৃষ্টিকর্তার প্রতি আমাদের এটিই একমাত্র চাওয়া।'

এই যখন অবস্থা, তখন কাতারের রাজধানী দোহায় গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই। হামাস ও ইসরাইলের সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়টিও রয়েছে অনিশ্চয়তায়। এমন অবস্থায় অনেকটাই হতাশ মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ বিন মোহাম্মদ আল আনসারি বলেন, 'গাজার সংকট নিয়ে যখনই আমরা আলোচনায় বসি তখনই দেখি সমাধানের সম্ভাব্য সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে গাজার মানবিক সংকট চরমে পৌঁছাচ্ছে, যা সত্যিই লজ্জার। বর্তমান প্রজন্ম ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংকট মোকাবিলা করতে ব্যর্থ। যতই দিন যাচ্ছে সংকট ততই বাড়ছে।'

এদিকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের দায়ে নতুন করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অভিযোগ দায়ের করেছে লেবানন। লেবাননের সঙ্গে বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।ক্রিসমাসের প্রথম প্রহরে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয় সাইরেন। ইয়েমেন সীমান্ত থেকে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামালায় আহত হয় অন্তত ৯ জন। যদিও আইডএফ-এর দাবি, ইসরাইলি ভূখণ্ডে প্রবেশের আগেই সেগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে হুথির সামরিক মুখপাত্র জানান, টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শত্রুপক্ষের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সফল হামলা চালানো হয়েছে।

হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারা বলেন, 'ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীসহ সাধারণ জনগণ। নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করছে হুথিরা। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।'ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন, আসছে বছরে তারা আবারও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে, শিশুরা আবারও স্কুলে ফিরে যেতে পারবে। প্রতিদিনের মতো মৃত্যুর ক্ষণ গণনা করতে হবে না। তাদের জন্য থাকবে স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধ।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা