ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেটে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা দেখছিলেন জিনেদিন জিদান গণমাধ্যম কমিশন হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান : তথ্যমন্ত্রী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন

২৬ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৯৫ কোটি ডলার

  • আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৪ ০১:৩৮:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৪ ০১:৩৮:২১ অপরাহ্ন
২৬ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৯৫ কোটি ডলার
অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকেই প্রবাস আয়ে উড়ন্ত গতি দেখা দিয়েছে। চলতি অক্টোবরের প্রথম ২৬ দিনেই এসেছে ১৯৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে)। গত মাসেও প্রবাস আয়ের গতি ঊর্ধ্বমুখী ছিল।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি ডলার বা ৯০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্স আসার এই গতি মাসের বাকি দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকলে প্রবাস আয়ের পরিমাণ আড়াই বিলিয়ন ডলার হতে পারে।গত সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪০ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকার বেশি।আগের মাস সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন এসেছিল ৮ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স আসে।

মাসের প্রথম ২৬ দিনে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার।বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২৯ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। তবে এ সময়ের মধ্যে ৯ ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসী আয় তলানি ঠেকেছিল। এ সময় ডলারের দর বেড়ে যায়। ফলে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার ফলে প্রবাস আয় বাড়তে শুরু করে।

জুনে একক মাস হিসাবে এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয় আসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। তার আগের মাস মে মাসে আসে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এ ছাড়া এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।এরপর দেশে প্রথমে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে জুলাই মাসে প্রবাস আয় কমে যায়। আগস্টে সরকার পতনের পর রেমিট্যান্স কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে দাঁড়ায়।

কমেন্ট বক্স