ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন মনমোহন সিং

  • আপলোড সময় : ২৭-১২-২০২৪ ০৮:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১২-২০২৪ ০৮:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন
ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন মনমোহন সিং
১৯৯১ সালে দেউলিয়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে টেনে তুলেছিলেন একজন অর্থমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী হন দুইবার। শুধু অর্থনীতিকে রক্ষায়ই নয় বরং মজবুত করেছিলেন। তিনি হলের ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ড. মনমোহন সিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে রাজধানী নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মনমোহন সিং। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হঠাৎ করেই নিজ বাড়িতে চেতনা হারিয়ে ফেলেছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মনমোহন সিং। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকদের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তার চেতনা ফেরানো যায়নি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ভারতে। শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীসহ রাজনীতিকরা।১৯৩২ সালে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ। ১৯৫৭ সালে স্নাতক। এর পরেই, ১৯৬২ সালে ডক্টর সিং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাফিল্ড কলেজ থেকে অর্থনীতিতে ডি. ফিল পান।
 
তাকে ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার বই 'ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট ট্রেন্ডস অ্যান্ড প্রসপেক্টক্স ফর সেল্ফ সাসটেন্ড গ্রোথ' ছিল ভারতের অন্তর্মুখী বাণিজ্য নীতির প্রাথমিক পর্বের সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ।রাজস্বের বিশাল ঘাটতি গোটা দেশকে পঙ্গু করে দেয়ার মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। সেই সংকট থেকে ভারতকে বের করে এনেছিলেন ড. মনমোহন সিং। শুধু দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করেননি, পৌঁছে দিয়েছিলেন মজবুত জায়গায়।এর আগে কোন খাতে কতটা উৎপাদন হবে তা ঠিক করতো সরকার। সিমেন্ট, মোটরগাড়ি থেকে শুরু করে প্রতিটি খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ছিল। ফলে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে থমকে গিয়েছিল ভারতীয় শিল্পের বৃদ্ধি। এই আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের জাল ছিন্ন করে শিল্পের বৃদ্ধিকে উৎসাহ দিয়েছিলেন ড. মনমোহন সিং। শিথিল করা হয়েছিল বিদেশি বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ। ৫১ শতাংশ পর্যন্ত ইকুইটি শেয়ারের জন্য বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উঠে গিয়েছিল সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা। এছাড়া, ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র বাদে বাকি সব খাতের জন্য বাতিল করাহয়েছিল শিল্প লাইসেন্স।
 

 নিজের উপর ভরসা ছিল মনমোহন সিংয়ের। নিজের অর্থনীতি জ্ঞানের ওপর ছিল আস্থা। তাই ১৯৯১ সালের বাজেট বক্তৃতায় তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, সময়োপযোগী কোনো ধারণাকে পৃথিবীর কোনো শক্তি থামাতে পারে না। আরও বলেছিলেন, দেখতে হবে যাতে প্রত্যেক ভারতীয় সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।রাজনৈতিক জীবনে ড. সিং ১৯৯১ সাল থেকে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮–২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভায় বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ২২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মনমোহন সিংহ এবং ২০০৯ সালের ২২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ নেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা