ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ , ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোজাফফরের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সংসদের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা অনেক : ডেপুটি স্পিকার ক্ষমতায় যেতে তারা জুলাইকে ব্যবহার করতে চায়: বিএনপি মহাসচিব আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার আভাস ঠান্ডা মাথায় রাষ্ট্রপতি জিয়াকে প্রথম গুলিটি করেন মোজাফফর! মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ধরা খেলেন জিয়ার খুনি মোজাফফর! চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সেই কালরাতে মেজর মোজাফফরের যে ভূমিকা ছিল জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের আসামি মোজাফফর সেনা হেফাজতে আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১৩ জেলায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যারিয়াল ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার আজিম খান রনি বাউল আব্দুল করিম শাহ্: লালনগীতির আদি সুরের সাধক টানা বৃষ্টির পর রাজধানীতে মিলেছে সূর্যের দেখা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা মডেল মসজিদ প্রকল্পের ব্যয় কীভাবে বেড়েছে, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে তরুণ প্রজন্মের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ বৃহস্পতিবার থেকে আবারও শুরু হতে পারে অতিভারী বর্ষণ জলাবদ্ধতা কিছুটা কমলেও দুর্ভোগ কাটেনি রাজধানীবাসীর আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০০৯

ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন মনমোহন সিং

  • আপলোড সময় : ২৭-১২-২০২৪ ০৮:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১২-২০২৪ ০৮:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন
ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন মনমোহন সিং
১৯৯১ সালে দেউলিয়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে টেনে তুলেছিলেন একজন অর্থমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী হন দুইবার। শুধু অর্থনীতিকে রক্ষায়ই নয় বরং মজবুত করেছিলেন। তিনি হলের ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ড. মনমোহন সিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে রাজধানী নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মনমোহন সিং। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হঠাৎ করেই নিজ বাড়িতে চেতনা হারিয়ে ফেলেছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মনমোহন সিং। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকদের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তার চেতনা ফেরানো যায়নি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ভারতে। শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীসহ রাজনীতিকরা।১৯৩২ সালে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ। ১৯৫৭ সালে স্নাতক। এর পরেই, ১৯৬২ সালে ডক্টর সিং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাফিল্ড কলেজ থেকে অর্থনীতিতে ডি. ফিল পান।
 
তাকে ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার বই 'ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট ট্রেন্ডস অ্যান্ড প্রসপেক্টক্স ফর সেল্ফ সাসটেন্ড গ্রোথ' ছিল ভারতের অন্তর্মুখী বাণিজ্য নীতির প্রাথমিক পর্বের সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ।রাজস্বের বিশাল ঘাটতি গোটা দেশকে পঙ্গু করে দেয়ার মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। সেই সংকট থেকে ভারতকে বের করে এনেছিলেন ড. মনমোহন সিং। শুধু দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করেননি, পৌঁছে দিয়েছিলেন মজবুত জায়গায়।এর আগে কোন খাতে কতটা উৎপাদন হবে তা ঠিক করতো সরকার। সিমেন্ট, মোটরগাড়ি থেকে শুরু করে প্রতিটি খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ছিল। ফলে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে থমকে গিয়েছিল ভারতীয় শিল্পের বৃদ্ধি। এই আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের জাল ছিন্ন করে শিল্পের বৃদ্ধিকে উৎসাহ দিয়েছিলেন ড. মনমোহন সিং। শিথিল করা হয়েছিল বিদেশি বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ। ৫১ শতাংশ পর্যন্ত ইকুইটি শেয়ারের জন্য বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উঠে গিয়েছিল সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা। এছাড়া, ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র বাদে বাকি সব খাতের জন্য বাতিল করাহয়েছিল শিল্প লাইসেন্স।
 

 নিজের উপর ভরসা ছিল মনমোহন সিংয়ের। নিজের অর্থনীতি জ্ঞানের ওপর ছিল আস্থা। তাই ১৯৯১ সালের বাজেট বক্তৃতায় তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, সময়োপযোগী কোনো ধারণাকে পৃথিবীর কোনো শক্তি থামাতে পারে না। আরও বলেছিলেন, দেখতে হবে যাতে প্রত্যেক ভারতীয় সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।রাজনৈতিক জীবনে ড. সিং ১৯৯১ সাল থেকে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮–২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভায় বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ২২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মনমোহন সিংহ এবং ২০০৯ সালের ২২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ নেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইসরায়েলকে হারানোর ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিল নরওয়ে

ইসরায়েলকে হারানোর ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিল নরওয়ে