ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুলশানে বার ড্যান্সারের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষিত তরুণদের ওপর সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক কিছুদিন দেরি করে হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের প্রায়োরিটি: আসিফ মাহমুদ বিয়ে করলেই ১৬ লাখ টাকা উপহার, সন্তান হলে মিলবে ৩২ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি সন্দেহে শ্রমিক হত্যা, বিক্ষোভ মুর্শিদাবাদে বিয়ে করছেন ধানুশ-ম্রুণাল! ২৬৮ আসনে এককভাবে লড়বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লায় গুলি করে দুজনকে হত্যা প্রেমিকার জন্মদিনে ২৬ কিলোমিটার দৌড়ালেন প্রেমিক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে পলাতক প্রধান শিক্ষক, মাদরাসায় আগুন ভাইরাল শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট চুরির দায়ে পুকুরে ২০ ডুব চোরের, শাস্তির পর মানবিকতাও দেখাল বরিশালবাসী হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না, তদন্তে যা জানা গেলো মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ উচ্ছ্বাস নিয়ে জীবনের প্রথমবার স্কুলে জুনায়েদ, বাড়ি ফিরলো নিথর দেহে

মুইজ্জুকে উৎখাতে ‘নীলনকশা’ করেছিল ভারত: ওয়াশিংটন পোস্ট

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৫ ১২:০২:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৫ ১২:০২:৩০ অপরাহ্ন
মুইজ্জুকে উৎখাতে ‘নীলনকশা’ করেছিল ভারত: ওয়াশিংটন পোস্ট
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার জন্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা একটি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালদ্বীপে চীনপন্থী মুইজ্জু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ভারতীয় প্রভাব থেকে বেরিয়ে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে শুরু করেন। তিনি ভারতীয় সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দেন এবং চীন-সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন। এই পরিস্থিতিতে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) মুইজ্জুকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দেশটির বিরোধী নেতাদের সঙ্গে গোপনে আলোচনা শুরু করে।

ওই আলোচনা থেকে একটি ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা তৈরি হয়, যার মাধ্যমে মুইজ্জুকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হয়। মুইজ্জুর নিজের দলের ৪০ আইনপ্রণেতাকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেই সঙ্গে ১০ জন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং তিনটি অপরাধী চক্রকে অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ৮ কোটি ৭০ লাখ মালদ্বীপি রুপি (প্রায় ৬০ লাখ মার্কিন ডলার) সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যদিও ষড়যন্ত্রকারীরা মুইজ্জুকে অভিশংসনের জন্য যথেষ্ট সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়, ভারত শেষ পর্যন্ত তাদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুইজ্জুকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হলেও এটি ভারতের এবং চীনের মধ্যে চলমান কৌশলগত প্রতিযোগিতার একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেইজিং এবং নয়াদিল্লির মধ্যে এশিয়া অঞ্চলের প্রভাব বিস্তার নিয়ে চলমান তীব্র প্রতিযোগিতার আরও একটি স্পষ্ট চিহ্ন এটি।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল

দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল