ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী পরিবার পরিকল্পনার বৃহৎ ক্যাম্পেইন শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবছর রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেলেন ফ্রান্সের হেনরি কাগান ও জাপানের কেনসো সোয়াই একনেক সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল, প্রজ্ঞাপন জারি এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে ৩০ ব্যাংকের এটিএমসহ ডিজিটাল সেবা চালু দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও পাবে ৩৫ লাখ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অনুমোদনের অপেক্ষায় রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২

মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করল জিম্বাবুয়ে

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৫ ১২:০৯:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৫ ১২:০৯:৩২ অপরাহ্ন
মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করল জিম্বাবুয়ে
জিম্বাবুয়েতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন মানঙ্গাগওয়া ৩১ ডিসেম্বর এই আইনের অনুমোদন দেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

অধিকার বিষয়ক সংস্থা অ্যামনেস্টি এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে এবং বলেছে, “এ অঞ্চলে যারা মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্তি চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এটি আশার আলো।” তবে সংস্থাটি জরুরি অবস্থা জারি হলে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকার বিধানকে সমালোচনা করেছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের পার্লামেন্টে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্তের পক্ষে ভোট দেওয়া হয়, এবং গতকাল ৩১ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হয়।

জিম্বাবুয়েতে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এক ব্যক্তিকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়। এরপর কাউকে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া না হলেও, হত্যার মতো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হত। অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৬০ জনের মাথার ওপর মৃত্যুদণ্ড ঝুলছিল, এখন তাদের জন্য নতুন দণ্ড নির্ধারণ করা হবে। বিচারকদের অপরাধের ধরন বিবেচনা করে নতুন দণ্ড দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জিম্বাবুয়েতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় চালু হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট মানঙ্গাগওয়া নিজেও মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী, কারণ ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তার বিরুদ্ধে বোমা হামলার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা পরে ১০ বছরের কারাদণ্ডে পরিণত হয়।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, আফ্রিকার ২৪টি সহ বিশ্বব্যাপী ১১৩টি দেশে মৃত্যুদণ্ড পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়েছে। ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে চীন, ইরান, সৌদি আরব, সোমালিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রে।

কমেন্ট বক্স
১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী পরিবার পরিকল্পনার বৃহৎ ক্যাম্পেইন শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী পরিবার পরিকল্পনার বৃহৎ ক্যাম্পেইন শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী