ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ বন্যা-পাহাড়ধসে সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের আশঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড লাখো মানুষের ঢল, সম্পন্ন হলো খামেনির জানাজা ৪২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টি চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোট কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৬ দিনে এসেছে ৮৫৪৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক ‘১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি’ হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ চট্টগ্রামে হবে চাইনিজ ইকোনমিক জোন: অর্থমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার ‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম...’ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার ব্রাজিলের কাছে এখনও যে সমীকরণে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা থেমে যেতে পারে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ কেপ ভার্দে ম্যাচে যেসব রেকর্ড হতে পারে মেসি-স্কালোনি-আর্জেন্টিনার

মুজিব ভাস্কর্য ও কিল্লায় গচ্চা হাজার কোটি : অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত

  • আপলোড সময় : ০২-০১-২০২৫ ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০১-২০২৫ ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন
মুজিব ভাস্কর্য ও কিল্লায় গচ্চা হাজার কোটি : অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত
দেশজুড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ ও মুজিব কিল্লা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, দেশব্যাপী বঙ্গবন্ধুর অপ্রয়োজনীয় ভাস্কর্য স্থাপনে হাজার কোটি টাকা অপচয় হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ১৫ বছর ধরে এই ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও প্রতিকৃতি নির্মাণের কর্মসূচি নিয়েছিল, এবং এতে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

অন্যদিকে, "মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন" প্রকল্পের অধীনে স্থাপন করা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত বিল প্রদান এবং মানহীন সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের আওতায় ২০১৮ সালে ১৬ জেলায় ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণের জন্য প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণকাজের মান প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় অনেক কিল্লা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, এবং অনেক স্থানেই সেগুলো পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া, প্রকল্পের বেশ কিছু স্থাপনাগুলোর মধ্যে লাইট, ফ্যানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী না থাকায় এবং অনেক কিল্লার অবস্থান ছিল স্থানীয় লোকালয়ের বাইরে, যা তাৎক্ষণিক ব্যবহারে বাধার সৃষ্টি করেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ

৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ