ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেটে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা দেখছিলেন জিনেদিন জিদান গণমাধ্যম কমিশন হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান : তথ্যমন্ত্রী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন

সাকরাইনের ঘুড়ি উৎসব

  • আপলোড সময় : ১১-০১-২০২৫ ০২:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০১-২০২৫ ০২:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
সাকরাইনের ঘুড়ি উৎসব
সাকরাইন, বা ঘুড়ি উৎসব, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতি বছর মাঘ মাসের প্রথম দিনে, বিশেষ করে ১৪ জানুয়ারি, পুরান ঢাকায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। এটি মূলত শীতকালীন উৎসব হিসেবে পরিচিত, যখন ঢাকার আকাশে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে হাজার হাজার রঙিন ঘুড়ি উড়ানো হয়।

শহরের প্রতিটি সড়ক ও মহল্লায়, ছোট-বড় সব বয়সী মানুষ ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। উৎসবের মূল আকর্ষণ হচ্ছে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজের ঘুড়ি নিয়ে আকাশে নানা ধরনের কসরত প্রদর্শন করেন। সাথেই থাকে ঘুড়ি কাটার প্রতিযোগিতা, যেখানে একজনের ঘুড়ি অন্যকে আকাশ থেকে নামিয়ে দেয়।

সাকরাইন উৎসবের সময় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়োজন করা হয়। পিঠা, পুডিং, খিচুড়ি, এবং বিশেষভাবে সাকরাইনের দিন তৈরি হওয়া মিষ্টি খাবারগুলো মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। আর এখন নতুন করে যোগ হয়েছে ডিজে পার্টি।

পুরান ঢাকায় সাকরাইন শুধু একটি উৎসব নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মিলনমেলারও উপলক্ষ। এটি ঢাকার ঐতিহ্য, আনন্দ ও সৌহার্দ্য প্রকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এই দিনে, অনেকেই একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, পরিবার ও বন্ধুদের সাথে একত্রে সময় কাটান।

সাকরাইন পুরান ঢাকার মানুষের ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ, যা বছরের পর বছর ধরে ঢাকার শীতকালীন আনন্দের অনুভূতি নিয়ে আসে।

কমেন্ট বক্স