ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনুমোদন পেল ৪ ডিজিটাল ব্যাংক আজ জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি আনোয়ারুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে গাজী নজরুল ৫১তম বিশেষ বিসিএস: নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে বাংলার প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক রোহিঙ্গা সংকটের সূচনা মিয়ানমারে, সমাধানও মিয়ানমারেই : তারেক রহমান ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ প্রতারণার মামলায় ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ২৪৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ সুযোগ তৈরি হলে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল এক পয়সা বেশি ভাড়া আদায় হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়ল বাস ভাড়া গাজী নজরুল চার দিন ও তার স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

সাকরাইনের ঘুড়ি উৎসব

  • আপলোড সময় : ১১-০১-২০২৫ ০২:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০১-২০২৫ ০২:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
সাকরাইনের ঘুড়ি উৎসব
সাকরাইন, বা ঘুড়ি উৎসব, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতি বছর মাঘ মাসের প্রথম দিনে, বিশেষ করে ১৪ জানুয়ারি, পুরান ঢাকায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। এটি মূলত শীতকালীন উৎসব হিসেবে পরিচিত, যখন ঢাকার আকাশে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে হাজার হাজার রঙিন ঘুড়ি উড়ানো হয়।

শহরের প্রতিটি সড়ক ও মহল্লায়, ছোট-বড় সব বয়সী মানুষ ঘুড়ি উড়াতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। উৎসবের মূল আকর্ষণ হচ্ছে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজের ঘুড়ি নিয়ে আকাশে নানা ধরনের কসরত প্রদর্শন করেন। সাথেই থাকে ঘুড়ি কাটার প্রতিযোগিতা, যেখানে একজনের ঘুড়ি অন্যকে আকাশ থেকে নামিয়ে দেয়।

সাকরাইন উৎসবের সময় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়োজন করা হয়। পিঠা, পুডিং, খিচুড়ি, এবং বিশেষভাবে সাকরাইনের দিন তৈরি হওয়া মিষ্টি খাবারগুলো মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। আর এখন নতুন করে যোগ হয়েছে ডিজে পার্টি।

পুরান ঢাকায় সাকরাইন শুধু একটি উৎসব নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মিলনমেলারও উপলক্ষ। এটি ঢাকার ঐতিহ্য, আনন্দ ও সৌহার্দ্য প্রকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এই দিনে, অনেকেই একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, পরিবার ও বন্ধুদের সাথে একত্রে সময় কাটান।

সাকরাইন পুরান ঢাকার মানুষের ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ, যা বছরের পর বছর ধরে ঢাকার শীতকালীন আনন্দের অনুভূতি নিয়ে আসে।

কমেন্ট বক্স