ঢাকা , বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার ভিয়েতনাম-শ্রীলঙ্কা থেকে ‘নারী আমদানির’র প্রস্তাব দেয়ায় দ.কোরিয়ার নেতা বহিষ্কার বিদেশ থেকে ‘কুমারী নারী আমদানির’ প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ায় সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ফ্ল্যাট পেল হাদির পরিবার, চাবি-দলিল হস্তান্তর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের ৩ দিন যান চলাচলে বিধিনিষেধ, ভোট দিতে যাবেন যেভাবে ৫০তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ পান বিক্রেতার হাতে টাকা গুঁজে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার ঠাকুরগাঁওয়ে শাশুড়ির নির্বাচনি প্রচারণায় বিলেতি বউমা ২০০ পর্যবেক্ষক নিয়ে ইউরোপীয় ইউ‌নিয়ন মাঠে নামছে আজ ঢাকা-৩ আসনে সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতে যৌথ বাহিনীর মহড়া এবার নাহিদ ইসলামের দ্বৈত নাগরিকত্বের বৈধতা নিয়ে রিট প্রেমিককে ডেকে এনে স্বামীর সঙ্গে নির্মম কাণ্ড নববধূর ভোটের আগে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেনে কড়াকড়ি নির্বাচন ঘিরে গাড়ির চাপ, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমান শেষ পর্যন্ত ঢাকা ১৮ আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার ঢাকায় হালকা শীতের আমেজ চলতি বছরেই যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন চীনা প্রেসিডেন্ট
বিডিআর বিদ্রোহ

বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে

  • আপলোড সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে
পিলখানায় ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলার জামিন শুনানি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে। কেরানীগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী আদালতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, মামলার বিচার কার্যক্রম বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে পরিচালিত হয়। তবে ৫ আগস্ট আদালতের অবকাঠামো ভাঙচুরের পর এবং গত ৮ জানুয়ারি অস্থায়ী আদালতের কক্ষ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইন মন্ত্রণালয় কেরানীগঞ্জ কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী ভবনকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করে।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরক মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে। তবে পরে হত্যা মামলার ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারকাজ ঝুলে থাকার কারণে ৪৬৮ জন আসামির মুক্তি আটকে আছে, যদিও তারা হত্যা মামলায় খালাস পেয়েছেন বা সাজা ভোগ করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অনেককে ঘটনাস্থলে না থাকলেও আসামি করা হয়েছে। এমনকি ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে থাকা সদস্যদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার কারণে আসামিদের জীবন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, সুবিচার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক। আদালত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অস্থায়ী আদালত নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ার ফলে বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে।

জামিন শুনানির খবরকে কেন্দ্র করে আশায় বুক বেঁধেছেন ৪০০ বিডিআর সদস্যের পরিবার। মামলার সুরাহার মাধ্যমে তারা মুক্তি পাবেন বলে আশা করছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার