ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ , ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিলো সরকার গাঁজা সেবন না করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে এক সপ্তাহে ৪ জনের মৃত্যু, আহত আরও ৯ ‘টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমার মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি, করা হবে অস্ত্রোপচার পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু দেশের ৮ অঞ্চলে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, কমতে পারে ঢাকার গরম বাকি না দেওয়ায় দোকানে ভাঙচুর-গুলি, আহত ৫ জমি সংক্রান্ত বিরোধে বড় ভাইয়ের হাতের কব্জি কেটে ফেললো ছোট ভাই গৃহবধূকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে বালুচাপা পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা, গ্রেপ্তার চাচা আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুর টেস্টে ৭৫ ওভারে পাকিস্তানের টার্গেট ২৬৮ রান
বিডিআর বিদ্রোহ

বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে

  • আপলোড সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে
পিলখানায় ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলার জামিন শুনানি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে। কেরানীগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী আদালতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, মামলার বিচার কার্যক্রম বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে পরিচালিত হয়। তবে ৫ আগস্ট আদালতের অবকাঠামো ভাঙচুরের পর এবং গত ৮ জানুয়ারি অস্থায়ী আদালতের কক্ষ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইন মন্ত্রণালয় কেরানীগঞ্জ কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী ভবনকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করে।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরক মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে। তবে পরে হত্যা মামলার ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারকাজ ঝুলে থাকার কারণে ৪৬৮ জন আসামির মুক্তি আটকে আছে, যদিও তারা হত্যা মামলায় খালাস পেয়েছেন বা সাজা ভোগ করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অনেককে ঘটনাস্থলে না থাকলেও আসামি করা হয়েছে। এমনকি ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে থাকা সদস্যদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার কারণে আসামিদের জীবন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, সুবিচার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক। আদালত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অস্থায়ী আদালত নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ার ফলে বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে।

জামিন শুনানির খবরকে কেন্দ্র করে আশায় বুক বেঁধেছেন ৪০০ বিডিআর সদস্যের পরিবার। মামলার সুরাহার মাধ্যমে তারা মুক্তি পাবেন বলে আশা করছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু