ঢাকা , রবিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ , ২৭ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সহিংস ঘটনার ছবি-ভিডিও ওয়েবসাইটে আপলোডের আহ্বান পুলিশের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অতিশীর পদত্যাগ, মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে শপথ বাংলাদেশ ব্যাংকের সন্দেহভাজন ২৫ কর্মকর্তার লকার পায়নি দুদক সচিব হলেন ১১৯ ‘বঞ্চিত’ কর্মকর্তা একসঙ্গে পদোন্নতি পেলেন ‘বঞ্চিত’ ৭৬৪ কর্মকর্তা আইডিয়াল ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সায়েন্সল্যাব অপারেশন ‘ডেভিল হান্টে’ গাজীপুর থেকেই ৮২ জন গ্রেপ্তার: জিএমপি কমিশনার মৃত্যুর আগে সঞ্জয় দত্তকে ৭২ কোটির সম্পত্তি লিখে দেন নারী ভক্ত বিচ্ছেদ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট কারিনার! নামিবিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট নজুমা আর নেই আর্থিক ক্ষতি অনুসন্ধানে এনসিটিবিতে দুদকের অভিযান অপারেশন ডেভিল হান্টে রংপুর বিভাগে গ্রেফতার ১৯ প্রশাসনে স্বৈরাচারের দোসর রেখে টোকাই ধরে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ফারুক ২০২৬-এর জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আবার রাজপথে নামতে হবে: গয়েশ্বর সুরকার প্রীতমের অফিস থেকে ৪০ লাখ রুপি চুরি এক যুগ পর ‘লঙ্কা জয়’ অস্ট্রেলিয়ার, পন্টিংয়ের যে রেকর্ড ভাঙলেন স্মিথ পুতিনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে কথা বলছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিমের ডজন ৫০০ টাকা! নব্বই দশকের গানে মঞ্চ মাতালেন জায়েদ খান

বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটি এক-এগারোর ইঙ্গিত-উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

  • আপলোড সময় : ২৩-০১-২০২৫ ০৬:৫৭:০৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০১-২০২৫ ০৬:৫৭:০৬ অপরাহ্ন
বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটি এক-এগারোর ইঙ্গিত-উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটি এক-এগারো সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটা ১/১১ সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে। ১/১১ এর বন্দোবস্ত থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে সামনে আরেকটা ১/১১ সরকার, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং গুম-খুন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে।

‘ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব মাইনাস করার পরিকল্পনা ৫ আগস্ট থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট যখন ছাত্র-জনতা রাজপথে লড়াই করছে, পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছে, তখন আমাদের আপসকামী অনেক জাতীয় নেতা ক্যান্টনমেন্টে জনগণকে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন (অনেকে ছাত্রদের কথাও বলেছেন সেখানে)।’তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা ৩ আগস্ট থেকে বলে আসছি কোনো প্রকারের সেনাশাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নেবো না। আমাদের বারবার ক্যান্টনমেন্টে যেতে বলা হলেও আমরা যেতে অস্বীকার করি। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে আলোচনা ও বার্গেনিংয়ের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।’‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার। জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না। জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে এই বিবেচনায় বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজী হয় নাই।’

‘কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলতেছে সামনের নির্বাচনের পরে।’‘ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর যেটা ১/১১ এর সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে। বিএনপি কয়েকদিন আগে মাইনাস টু এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ সরকারের প্রস্তাবনা করছে।‘এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। আমি মনে করি এটা বিএনপির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র।’

‘আর এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও সরকারে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সব পক্ষই নানান সুবিধা ভোগ করছে। সরকার গঠনের আগেই ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজির নিয়োগ হয়েছিল যারা মূলত বিএনপির লোক। এ রকমভাবে সরকারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থি লোকজন রয়েছে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতায়ও মাথায় রাখতে হবে।‘রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন, সংস্কার, নতুন সংবিধান, জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপি বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ এগুলো কোনোটাই ছাত্রদের দলীয় কোনো দাবি ছিল না। কিন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, বৃহত্তর স্বার্থ এবং জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী কোনো পরিকল্পনা হলে সেখানে আমরা বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেবো।’

‘আওয়ামী লীগ বিষয়ে ভারতের প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব হয়েছে অথচ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিষয়ে আমরা ঐক্য করতে পারিনি এত হত্যা ও অপরাধের পরেও। হায় এই ‌‘জাতীয় ঐক্য’ লইয়া আমরা কি রাষ্ট্র বানাবো! বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ কারণ বাংলাদেশকে সহজেই বিভাজিত করা যায়। এ দেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।’‘আমি মনে করি না সমগ্র বিএনপি এই অবস্থান গ্রহণ করে। বরং বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের বড় অংশই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন চায়। বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী নেতৃত্বকে আহ্বান করব, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্র-জনতার সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য ও সংহতির পথ বেছে নিন।’

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সহিংস ঘটনার ছবি-ভিডিও ওয়েবসাইটে আপলোডের আহ্বান পুলিশের

সহিংস ঘটনার ছবি-ভিডিও ওয়েবসাইটে আপলোডের আহ্বান পুলিশের