ঢাকা , রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬ , ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর ‘অপেক্ষায়’ ইরানের বিপ্লবী গার্ডস হরমুজ প্রণালীর কাছে মাল্টার পতাকাবাহী তেল ট্যাংকারে ইরানের হামলা সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল রেড ক্রিসেন্ট হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখলেন হাসপাতালের অর্ধেক চিকিৎসক নাই ইরানের বেসামরিক নাগরিক নিহতে জাতিসংঘের ওপর ক্ষোভ আরাঘচির গানবাজনা ‘হারাম’ ঘোষণা করে গ্রামজুড়ে মসজিদ কমিটির নোটিশ ক্রিকেটারদের আগে ঢাকায় আসলেন পাকিস্তানের কোচরা ধুরন্ধর টু’র ট্রেলার প্রকাশ, আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছেন রণবীর ইসরায়েলের কাছে আবারও বিশাল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র ৬ দেশের অনুরোধে ‘ইরানের হামলা’ নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ হামলা না হলে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আর আক্রমণ করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান র‌্যাপার থেকে মেয়র, এবার কি নেপালের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বালেন শাহ বনমোরগ জব্দ করে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, বাঁ পা উড়ে গেল বাংলাদেশি কাঠুরিয়ার টর্নেডোর আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ মিশিগান বিধ্বস্ত, নিহত ৪ জয় বাংলা’র পরিবর্তে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ হয়েছে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি আলভীর রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পে মিলছে না তেল, উপচে পড়া ভিড় তারেক রহমানকে বহনকারী ভিভিআইপি ফ্লাইটের বিমানে ছিল গুরুতর ত্রুটি, তদন্তে ভয়াবহ তথ্য

হুমকি দিয়েই বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামাল আদানি

  • আপলোড সময় : ০১-১১-২০২৪ ০৯:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-১১-২০২৪ ০৯:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন
হুমকি দিয়েই বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামাল আদানি
বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাবদ প্রায় ১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকা পাওনা ভারতের আদানি গ্রুপের। এই অর্থ জমে থাকার কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে আদানি কর্তৃপক্ষ। ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় অবস্থিত এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আদানি গোষ্ঠী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে।বিদ্যুকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)।প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিনের বেলা আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে গড়ে মাত্র ৫৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। যদিও গত বুধবার পর্যন্ত দিনে গড়ে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সক্ষমতা এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট।

এদিকে বর্তমানে দেশীয় কয়লাভিত্তিক তিন বিদ্যুৎকন্দ্র—এস আলম, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানো হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সরবরাহে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি থাকছে।সম্প্রতি আদানি পাওয়ার (ঝাড়খণ্ড) লিমিটেডের প্রতিনিধি ও যৌথ সমন্বয় কমিটির সভাপতি এম আর কৃষ্ণ রাও এক চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিসি) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১৭০.০৩ মিলিয়ন ডলারের জন্য প্রয়োজনীয় এলসি প্রদান করেনি এবং ৮৪৬ মিলিয়ন ডলারের (১০,০৮৬ কোটি টাকা) বকেয়াও শোধ করেনি।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সময়মতো এলসি না দেওয়া এবং বকেয়া পরিমাণ পরিশোধ না করার ফলে পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় ম্যাটারিয়াল ডিফল্ট ঘটেছে, যা আদানি পাওয়ারের সরবরাহ বজায় রাখতে বাধা দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ‘বহু বকেয়া পরিশোধ ও এলসির অভাবে আমরা কয়লা সরবরাহকারী এবং অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কন্ট্রাক্টরদের জন্য কাজের মূলধন নিরাপদে রাখতে পারছি না।আদানি তাদের চিঠিতে বিপিডিসিকে ৩০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের মধ্যে এই ডিফল্টগুলো সমাধানের আহ্বান জানায়। অন্যথায় ৩১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে সরবরাহ বন্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আদানির বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি। এ কারণে কেন্দ্রটির কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎসরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।

এদিকে এস আলম গ্রুপের এক হাজার ২২৪ মেগাওয়াট সক্ষমতার বাঁশখালী পাওয়ার প্লান্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎসরবরাহ বাবদ দুই হাজার কোটি টাকা পাবে বিপিডিবির কাছে। এসএস পাওয়ার ১-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তান ঝেলিং একটি চিঠিতে বিপিডিসিকে জানিয়েছে, বকেয়া পরিশোধ দ্রুত করা হলে সরবরাহকারীদের জন্য এলসি জারি করা সম্ভব হবে, যা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লাসংকটের কারণে ইউনিট-২ বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও ইউনিট-১ বর্তমানে ৫৩৯ মেগাওয়াট উৎপাদন করছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২ দুই মাসের জন্য মেরামতে যাচ্ছে। কম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম জানিয়েছেন, তাঁরা পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বকেয়া পরিমাণের কারণে কার্যকর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন।বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। যদিও এখন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর ‘অপেক্ষায়’ ইরানের বিপ্লবী গার্ডস

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর ‘অপেক্ষায়’ ইরানের বিপ্লবী গার্ডস