ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ভারতের কারাগারে নিষিদ্ধ হলো ব্রিটিশ প্রথা

  • আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৫ ০২:৪৬:০২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৫ ০২:৪৬:০২ অপরাহ্ন
ভারতের কারাগারে নিষিদ্ধ হলো ব্রিটিশ প্রথা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি কারাগারে প্রচলিত ‘বর্ণাশ্রম’ প্রথার অবসান ঘটিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বৃটিশ আমলে প্রণীত ১৮৯৪ সালের কারা আইন অনুসারে তৈরি এই বিধি অনুযায়ী ‘উচ্চবর্ণের’ বন্দিরাই রান্না, খাবার পরিবেশন এবং ক্ষৌরকর্মের মতো কাজ করতেন, আর ‘নিম্নবর্ণের’ বন্দিদের জন্য ছিল সাফাইকাজ।

দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই বৈষম্যমূলক বিধান বাতিল করা হয়েছে। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে সব বর্ণের বন্দিরাই কারাগারে রান্না, পরিবেশনা এবং অন্যান্য কাজে অংশ নিতে পারবেন। বিশেষত রুল ৭৪১ এবং ৭৯৩ বাতিল করা হয়েছে, যা ‘যোগ্য বর্ণের’ বন্দিদের রান্না ও পরিবেশনার দায়িত্ব এবং ‘উচ্চবর্ণের’ বন্দিদের ক্ষৌরকর্মের দায়িত্ব নির্দিষ্ট করেছিল।

মেদিনীপুর সংশোধনাগারের সাবেক ডিআইজি অরিন্দম সরকার বলেন, “এই বিধিগুলি স্বাধীনতার আগের, বৃটিশ আমলের। তবে আমার কর্মজীবনে পশ্চিমবঙ্গের কারাগারে কখনও বর্ণভিত্তিক বিভাজন দেখিনি। উপরন্তু, ধর্মীয় বিভাজনও ছিল না।”

অভিনেতা নাইজেল আকারাও, যিনি ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কারাবন্দি ছিলেন, জানান, “কারাগারে কাজ নির্ধারিত হয় দক্ষতা ও আগ্রহের ভিত্তিতে, বর্ণ বা ধর্মের ভিত্তিতে নয়।” তবে তিনি স্বীকার করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে, বিশেষত ভারতের গরিব উত্তরাঞ্চলে (গোবলয়ে) এখনও বর্ণভিত্তিক বিভাজন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পদক্ষেপকে সমাজের দীর্ঘদিনের একটি অসাম্য দূর করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা