চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টিকে থাকার লড়াইয়ে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান টস জিতে ব্যাটিং করছে। এই ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো, বিশেষত আফগানিস্তানে নারী অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে ইংল্যান্ডের ৮০ জন রাজনীতিবিদ ইসিবির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, তারা যেন আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচটি না খেলেন। তবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) রাজনীতির কাছে হেরে না গিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকে ম্যাচটি আয়োজন করে।
এই পরিস্থিতিতে, মাঠে নামার আগে দুটি দেশের ক্রিকেটারদের জন্য আলোচনা অবধারিত ছিল। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের নারী ক্রিকেট দল না থাকায় এবং দেশটির পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এক প্রশ্নে শহীদীকে জানতে চাওয়া হয়, আফগান নারীদের ক্রিকেট মাঠে দেখতে চান কি না? এর উত্তরে শহীদী বলেন, ‘এটা সবার চাওয়া, সবাই খেলুক, তবে রাজনীতি একটা বড় বিষয়, যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। আমরা তো শুধুই ক্রিকেটার, মাঠের বিষয়ই আমাদের নিয়ন্ত্রণ।’
এ বিষয়ে আফগানিস্তানের ইংলিশ কোচ জোনাথন ট্রট বলেন, আফগান খেলোয়াড়দের জন্য পুরো বিষয়টি খুবই বিব্রতকর। তবে তিনি আশাবাদী যে একদিন পরিস্থিতি বদলাবে। ‘আমার মেয়ে তো ক্রিকেট খেলে, তাই আশা করি একদিন আফগানিস্তানেও নারী ক্রিকেট দেখতে পাবো,’ বলেন তিনি।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলারও একই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানে নারী ও শিশুদের দুর্দশা আমাদের মর্মাহত করেছে, তবে আশা করছি, এই ম্যাচটি তাদের জন্য কিছুটা হলেও আশা ও বিনোদন নিয়ে আসবে।’