ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ , ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে দিনের বেলা পানাহার করায় কান ধরে উঠবস, দোকান বন্ধের হুঁশিয়ারি

  • আপলোড সময় : ১২-০৩-২০২৫ ০৪:৩২:১১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৩-২০২৫ ০৪:৩২:১১ অপরাহ্ন
লক্ষ্মীপুরে দিনের বেলা পানাহার করায় কান ধরে উঠবস, দোকান বন্ধের হুঁশিয়ারি
লক্ষ্মীপুরের চকবাজার এলাকায় রমজান মাসে দিনের বেলায় খাবার খাওয়ার অভিযোগে কয়েকজনকে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ মার্চ) দুপুরে বণিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল আজিজের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চকবাজারের কয়েকটি খাবারের দোকানে মুসলিমদের খাবার খেতে দেখে বণিক সমিতির সদস্যরা তাদের শাস্তি হিসেবে কান ধরে ওঠবস করান। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলা হয়, যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তি দিনের বেলায় দোকানে খেতে আসে, তবে সেই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবার বিক্রিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আবদুল আজিজ।

এ বিষয়ে আবদুল আজিজ বলেন, "রমজান মাস মুসলমানদের জন্য পবিত্র। দিনের বেলায় মুসলিমরা যাতে খাবার না খান, তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। তবে হিন্দুদের জন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।"

তবে এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, রোজা রাখা বা না রাখা ব্যক্তিগত ধর্মীয় স্বাধীনতার অংশ, কাউকে জনসমক্ষে লাঞ্ছিত করা অনৈতিক। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও ধর্মীয় চর্চার ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট বক্স