ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশ পুনর্গঠনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল নিয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রামীণ কল্যাণের কর পরিশোধ করতে হবে, সরকারের এখানে কিছু করার নেই মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত-সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা উত্তরে আসিফ মাহমুদ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর সোনারগাঁয়ে জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ র‍্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনো সংস্পর্শ নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘মাননীয়’ না লেখার সিদ্ধান্ত, বাস্তবায়ন শুরু মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩ ট্রাক ইউরিয়া সারসহ আটক ২ এবার ৩ নম্বর সন্তানের মা হলেন পরীমণি! অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম, মা-নবজাতক সুস্থ কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার রাজপথে হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন: রিজভী দাম বাড়লেও মিলছে না সয়াবিন তেল, ব্রয়লারে ফের ডাবল সেঞ্চুরি সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা

স্ত্রী পা চেপে ধরার পর পেটায় মেয়েরা, ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার!

  • আপলোড সময় : ১২-০৩-২০২৫ ০৫:১২:২৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৩-২০২৫ ০৫:১২:২৬ অপরাহ্ন
স্ত্রী পা চেপে ধরার পর পেটায় মেয়েরা, ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার!
এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েকদিন পর, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তির মেয়েরা তাকে মারধর করছে এবং সেসময় তার স্ত্রী তাকে ধরে রেখেছে।


সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

 
মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, হরেন্দ্র মৌর্য নামের ওই ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পরীক্ষার পর জানা যাবে যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে। 
 

 

পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান হরেন্দ্র তিন মেয়ে এবং এক ছেলের জনক ছিলেন। প্রতিবেশী এবং তার আত্মীয়স্বজনরা জানিয়েছেন, প্রায়শই স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হতো। গত ১ মার্চ তিনি তার দুই মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। বিয়ের পরপরই জানা যায়, হরেন্দ্রর স্ত্রী বিচ্ছেদ চেয়েছিলেন এবং তার বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা জানান।
 
স্ত্রীর এই আচরণে হতাশ হয়ে হরেন্দ্র নিজেকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও বের না হওয়ায় তার পরিবার তাকে খুঁজতে শুরু করে এবং ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
 
হরেন্দ্রকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 
 

 
তার মৃত্যুর পর, প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেন যে বাড়িতে ঘন ঘন ঝগড়ার কারণে হরেন্দ্র আত্মহত্যা করেছেন। তবে হরেন্দ্রর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার বাবা এবং ভাইকে এই ‘হত্যাকাণ্ডের’ জন্য অভিযুক্ত করেছে।
 
এই অভিযোগের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। ক্লিপটিতে দেখা যায়, হরেন্দ্রর স্ত্রী তার পা ধরে আছেন এবং তার মেয়েরা তাকে লাঠি দিয়ে মারছে। তাকে যন্ত্রণায় চিৎকার করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে, তার ছোট ছেলে তার বোনকে থামাতে চেষ্টা করে। কিন্তু বোন তাকেও মারধরের হুমকি দেয়। সে যখন ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করে, তখন তার স্ত্রী তাকে আবার ধরে ফেলে এবং আক্রমণ চলতে থাকে। 
 
১ ফেব্রুয়ারি তারিখের ভাইরাল ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং লোকটির জন্য ন্যায়বিচারের দাবি উঠেছে।
 
সূত্র: এনডিটিভি

কমেন্ট বক্স
দেশ পুনর্গঠনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

দেশ পুনর্গঠনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি